নতুন নির্বাচনের দাবি বিএনপির
Visitor 207

ঢাকা প্রতিবেদক: নিরপেক্ষ সরকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধিনে নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি।
সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ দাবি জানান।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন এর উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যে পার্লামেন্ট তৈরি করা হয়েছে, এই পার্লামেন্ট জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না। আর যে সরকার তৈরি করা হয়েছে, এই সরকার জনগণের সরকার বলে প্রমাণিত হবে না। তাই নিরপেক্ষ সরকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের মধ্য দিয়ে অবিলম্বে নতুন নির্বাচন দিতে হবে।
তিনি বলেন, আজকে সর্বমহলে দাবিটা উঠেছে যে, গত ৩০ ডিসেম্বর কোন নির্বাচনই হয়নি। মানুষের ভোট দখল করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আগের রাতেই নির্বাচন শেষ করে ফেলা হয়েছে। বাংলাদেশ এখন কোনো স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নয় মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, সম্পূর্ণভাবে পরনির্ভরশীল, স্বৈরাচারি ফ্যাসিস্ট সরকারের কবলে পড়ে একটা একনায়কতন্ত্র রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। এটা শুধু আমাদের কথা নয়, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হয়েছে। বাংলাদেশ একনায়কতন্ত্র দেশের মধ্যে অন্যতম রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের সন্দেহ হয়, এদেশের সরকার বলে কিছু আছে কি না? কারণ এখন আর কোনো জবাবদিহিতা নেই, জবাবদিহিতা নেই বলেই যে যার মতো এই দেশকে লুট করছে। আজকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তারা তাদের দায়িত্ব পালন করছে না, বিচারবিভাগ তারা তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারছে না, শিক্ষক তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারছে না, চিকিৎসক তারা দায়িত্ব পালন করতে পারছে না। সবখানে একটা অসস্তিকর ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থার আমাদের সব থেকে বেশি প্রয়োজন আমাদের ঐক্য। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করার জন্য দল-মত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের যে সংগ্রাম, সেই আন্দোলনের কাছে কখনোই স্বৈরাচার সরকার টিকে থাকতে পারে না- তার পতন অবশ্যই হবে। আমরা বিশ্বাস করি জনগণের ঐক্যবদ্ধ যে উত্তাল সৃষ্টি হবে সেই উত্তালে সমস্ত স্বৈরাচার, একনায়কতন্ত্র ও একদলীয় শাসন ব্যবস্থা গুড়িয়ে যাবে। জনগণ তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সফল হবে। তারা তাদের পছন্দ মত মানুষকে নির্বাচিত করে একটা পছন্দের পার্লামেন্ট দেখতে পারবে।
ইফতার মাহফিলে জামায়াত ইসলামের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের মহাসচিব রুহুল আমিন গাজী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামসহ সাংবাদিক নেতৃবৃনবদরা উপস্থিত ছিলেন।








0 Comments
Add new comment