আজ : ০৮:১২, ফেব্রুয়ারি ১৬ , ২০১৯, ৪ ফাল্গুন, ১৪২৫
শিরোনাম :

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সংক্রান্ত রিটের আদেশ ফের পেছাল


আপডেট:০৯:৪৯, নভেম্বর ১৮ , ২০১৮
photo

ঢাকা সংবাদদাতা: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল থেকে কারাগারে পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ ও হাসপাতালে চিকিৎসা অব্যাহত রাখার রিটের আদেশের নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। সোমবার (১৮ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত আদেশের দিন ধার্য করা হয়েছে।

খালেদা জিয়ার পক্ষে কিছু সম্পূরক তথ্য নিয়ে আবেদনের ওপর শুনানির পর রবিবার (১৮ নভেম্বর) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) হাইকোর্ট বেঞ্চ আদেশের জন্য বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) দিন ধার্য ছিলো। ওইদিন সম্পূরক তথ্য দাখিলের আবেদনের পর ১৮ নভেম্বর আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।

আদালতে খালেদার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা। রবিবার (১১ নভেম্বর) খালেদার পক্ষে আইনজীবী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন।

রিটের পর খালেদার আইনজীবীরা জানান, চিকিৎসাসেবা শেষ না করে বিএনপির চেয়ারপারসনকে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি। রিটে খালেদা জিয়াকে বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসাসেবা চলমান রাখার আবেদন জানানো হয়।

এছাড়া তাকে কেন পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে না-এ মর্মে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে। রিট আবেদনে স্বরাষ্ট্র সচিব, কারা কর্তৃপক্ষ, বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষসহ নয়জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে, চিকিৎসাসেবা দিতে করা এক রিট গত ৪ অক্টোবর নিষ্পত্তি করে আদেশ দেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের ওই আদেশের পর চিকিৎসার জন্য পুরনো কারাগার থেকে ৬ অক্টোবর খালেদা জিয়াকে বিএসএমএমইউ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ৮ নভেম্বর তাকে (খালেদা জিয়া) বিএসএমএমইউ থেকে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।



সাম্প্রতিক খবর

মিয়ানমার বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপরে আঘাত করেছে: রিজভী

photo ঢাকা প্রতিবেদক: সরকার বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ক্রমাগত ব্যর্থ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারনে মিয়ানমারও বাংলাদেশকে নিয়ে দুঃসাহস দেখাতে স্পর্ধা দেখাচ্ছে। বারবার মিয়ানমার সরকারীভাবে তাদের ওয়েবসাইটে সেদেশের মানচিত্রে সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে নিজের অংশ হিসেবে দেখাচ্ছে। সেদেশের আরাকান

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment