আজ : ০৬:৫৬, ফেব্রুয়ারি ১৬ , ২০১৯, ৪ ফাল্গুন, ১৪২৫
শিরোনাম :

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালাস চেয়ে খালেদা জিয়ার আপিল


আপডেট:১০:০১, নভেম্বর ১৮ , ২০১৮
photo

ঢাকা সংবাদদাতা: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।রোববার (১৮ নভেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিলটি দায়ের করেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির।বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির বলেন, ‘নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে এ আপিল দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার খালাস চাওয়া হয়েছে।’

চ্যারিটেবল ট্রাস্টটি একটি প্রাইভেট ট্রাস্ট এটা সরকারি কোনো ট্রাস্ট ছিল না, এছাড়া এ মামলায় ক্ষমতা অপব্যবহারের যে অভিযোগ আনা হয়েছে সেটাও সত্য নয় উল্লেখ করে এ আইনজীবী জানান আপিলে ২০ থেকে ২২টি গ্রাউন্ডে খালাস চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।

এর আগে, গত ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে স্থাপিত অস্থায়ী ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান।

পরে গত বুধবার (১৪ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালত থেকে ৬৩২ পৃষ্ঠার রায়ের সার্টিফায়েড কপি বুঝে নেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া। তিনি জানান, মামলার রায়ের দিনই সার্টিফায়েড কপি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল।

রায়ের পর খালেদা জিয়ার প্যানেল আইনজীবী ব্যারিস্টার এ কে এম এহসানুর রহমান জানিয়েছিলেন, বিচারিক আদালত থেকে পূর্ণাঙ্গ রায়ের সার্টিফায়েড কপি আমরা হাতে পেয়েছি। এখন দ্রুততম সময়ে আমরা আপিলের প্রস্তুতি নেব।

ওই রায়ে একইসঙ্গে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব আবুল হারিছ চৌধুরী, তার একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খানের একই দণ্ড দেন আদালত। পাশাপাশি চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অনুকূলে কেনা কাকরাইল মৌজার ৪২ কাঠা জমি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন মোট ৩২ জন সাক্ষী। ২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় সংস্থাটি।



সাম্প্রতিক খবর

জামায়াত ক্ষমা চাইলেও যুদ্ধাপরাধের বিচার চলবে: কাদের

photo ঢাকা প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, স্বাধীনতার ৪৭ বছর জামায়াত এখন ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি কেনো সামনে নিয়ে আসছে, এটা ঘোলাটে। তাদের রাজনৈতিক কৌশল হতে পারে। যদিও অফিসিয়ালি তারা এখনও কিছু বলেনি। তবে ক্ষমা চাইলেও যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের যে বিচার চলছে, সেটা বন্ধ হবে না। শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment