আজ : ০৮:২১, জুলাই ১৫ , ২০১৮, ৩১ আষাঢ়, ১৪২৫
শিরোনাম :

ইউরোপীয় স্যোশালিস্ট পার্টির নেতাকে দেশে ঢুকতে দেয়নি ফিলিপাইন


আপডেট:০৪:৩৮, এপ্রিল ১৬ , ২০১৮
photo

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুয়ার্তের মাদকবিরোধী নিষ্ঠুর অভিযানের সমালোচনা করায় ইউরোপীয়ান স্যোশালিস্ট পার্টির (পিইএস) এক প্রতিনিধিকে দেশে ঢুকতে দেয়নি ফিলিপাইন। রবিবার দেশটির ম্যাকতান-সিবু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে ফেরত পাঠানো হয়। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

ইউরোপীয় স্যোশালিস্ট পার্টির (পিইএস) সহকারী সাধারণ সম্পাদক গিয়াকোমো ফিলিবিক ফিলিপাইনের আকবায়ান পার্টির দুই দিনের সম্মেলনে যোগ দিতে দেশটিতে গিয়েছিলেন। আকবায়ান পার্টি পিইএস’র সহকারী দল। একজন কর্মকর্তা ও আকবায়ন পার্টির বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, অবৈধ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গিয়াকামো ফিলিবিককে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আকবায়ান পার্টির বিবৃতিতে বলা হয়, দলের সম্মেলন উপলক্ষে ফিলিবিকসহ আরও ২০ বিদেশি প্রতিনিধি ফিলিপাইনে যান। তবে বিমানবন্দরে অভিবাসন দফতরে তাকে থামিয়ে হাতে চিরকুট ধরিয়ে দেওয়া হয়। তাতে তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারির নির্দেশনার কথা জানানো হয়। তবে অন্যান্য প্রতিনিধিদের কাউকে বাধা দেওয়া হয়নি।

দলটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ‘আকবায়ান পার্টি ইউরোপীয় মানবাধিকার কর্মীর আটক ও দেশে ফেরত পাঠানোর ঘটনার জোরালো প্রতিবাদ ও নিন্দা জানায়। এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনায় এটা বোঝা যায়, প্রেসিডেন্ট দুয়ার্তে দেশের যে ক্ষতি করেছেন তা বিশ্ববাসীকে জানাতে সরকার ভয়ে আছে।

পিইএস দলের পক্ষ থেকেও এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। দলের সভাপতি সেগেই স্টানিশেভ বলেছেন, দলের একজন সদস্যের সঙ্গে সরকারের এমন অপরাধীর মতো আচরণ ও জোরপূর্বক দেশ থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনা ‘অগ্রহণযোগ্য’। তিনি আরও বলেন, পরিষ্কারভাবে প্রেসিডেন্ট দেশে ও বিদেশে তার রক্তাক্ত নীতির সমালোচনা বন্ধ করার জন্য তৎপর হয়ে রয়েছে।

২০১৬ সালের জুলাই মাস থেকে ফিলিপাইনে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশ চার হাজারের বেশি মানুষকে হত্যা করেছে। পুলিশের দাবি, তাদের গ্রেফতার করতে গেলে তারা পাল্টা হামলা চালিয়েছে। আন্দোলন কর্মীদের অভিযোগ, নিহতদের অনেককে ধরে মেরে ফেলা হয়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।



সাম্প্রতিক খবর

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স

photo স্পোর্টস ডেস্ক: রাশিয়া বিশ্বকাপের চমক ক্রোয়েশিয়া তাদের প্রথম ফাইনালে কোনও পাত্তাই পায়নি ফ্রান্সের কাছে। ক্রোয়েটদের ৪-২ গোলে হারিয়ে ২০ বছর পর বিশ্বের শ্রেষ্ঠত্ব ফিরে পেল ফ্রান্স। ১৯৯৮ সালে প্রথমবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা ব্রাজিলকে হারিয়ে। ২০০৬ সালে ফাইনালে উঠেও ইতালির কাছে টাইব্রেকারে হেরে যায় লে ব্লুরা। এক যুগ পর আবার শিরোপার লড়াইয়ে উঠে সেই আক্ষেপ মুছে ফেলে দ্বিতীয়

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment