আজ : ০১:১০, মে ২৪ , ২০১৮, ৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫
শিরোনাম :

মার্কিন শেয়ার বাজারে দরপতনের নেপথ্যে


আপডেট:০১:২৮, ফেব্রুয়ারি ৬ , ২০১৮
photo

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মূল্যস্ফীতি সামাল দিতে সরকার সুদের হার বাড়াতে পারে; এমন সম্ভাবনা থেকেই বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ার বাজার থেকে তাদের বিনিয়োগ উঠিয়ে নিচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজার বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগকারীরা এই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারে। সুদের হার বাড়লে সেখানকার শিল্পখাতে ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে সংকট সৃষ্টি হতে পারে। আর ঋণ সংকট না হলেও শেয়ার বাজারের বাইরে অন্য কোনও বিনিয়োগ খাতেও লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কম থাকায় গত এক দশক ধরে অধিকতর মুনাফার আশায় সেখান থেকে প্রচুর পরিমাণ বিনিয়োগ এসেছে এশিয়ার বাজারে। এখন যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনার মুখে সেই বিনিয়োগও এশিয়ার শেয়ারবাজার থেকে তুলে নিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। বিশ্লেষকরা যুক্তরাষ্ট্রে দরপতনের ঘটনাকে নিছক ঋণাত্মক অর্থনৈতিক অবস্থা হিসেবে দেখছেন না। যুক্তরাষ্ট্রসহ এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনৈতিক সূচক শক্তিশালী অবস্থাতেই আছে। বৃদ্ধি পেতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির বর্তমান যে আকার, তাতে মূল্যস্ফীতি প্রায় অনিবার্য। সেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সুদের হার বাড়িয়ে যেতে হবে ধারাবাহিকভাবে, আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য।

এই সুদের হার বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করেই যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে লেনদেনকারী বিনিয়োগকারীরা তাদের শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন। তাদের ভাবনার দুটি দিক আছে। একটি হলো, সুদের হার বেড়ে গেলে শিল্পগুলো উচ্চ সুদের হারের কারণে যথাযথ পরিমাণে ঋণ জোগাড় করতে পারবে না। এতে ব্যহত হবে তাদের ব্যবসার বৃদ্ধি। সেক্ষেত্রে বিনিয়োগকৃত অর্থের বিপরীতে প্রত্যাশিত পরিমাণে মুনাফা পাওয়া যাবে না। অন্যদিকে, সুদের হার যদি বাড়েই, তাহলে বিনিয়োগের বিপরীতে প্রত্যাশিত মুনাফার জন্য শেয়ারবাজারে থাকার চাইতে অন্য কোথাও বিনিয়োগ করাকে ভালো বলে মনে করছেন বিনিয়োগকারীরা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির আকার বৃদ্ধিই শেয়ারবাজারে অস্থিরতার মূল কারণ। অর্থনীতি ধসে পড়ার মত নেতিবাচক কিছু নয়।



সাম্প্রতিক খবর

১০ বছর ধরে অবৈধ বসবাকারীদের সাধারণ ক্ষমার জন্য অনলাইন স্বাক্ষর অভিযান

বিশেষ প্রতিনিধি: ব্রিটেনে অবৈধভাবে বসবাসকারি ইমিগ্রান্ডদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার দাবীটি ক্রমাগত জোরদার হয়ে ওঠেছে। ইতোমধ্যে নব নিযুক্ত হোম সেক্রেটারি ইমিগ্রান্ডদের স্বার্থ বিরোধী দুটি ধারা বাতিল ঘোষণা করেছেন। ব্রিটিশ ফরেন সেক্রেটারি ও লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসন বরাবরই ইল্লিগ্যাল ইমিগ্রান্টদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষনার পক্ষে মতামত ব্যক্ত করে আসছেন। সম্প্রতি স্টিভ পার্কার

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment