আজ : ০৮:২৩, জানুয়ারি ২৫ , ২০২০, ১২ মাঘ, ১৪২৬
শিরোনাম :

যে দেশের নাগরিকই হন, বৈধ ভিসাধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হবে না


আপডেট:০৩:১৩, মার্চ ৪ , ২০১৭
photo

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বহু বিতর্কের পর অবশেষে কিছুটা পিছু হঠার পথে ডোনাল্ড ট্রাম্প। অভিবাসন নীতির প্রশ্নে যে কড়া অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি সেখান থেকে কিছুটা পিছু হঠার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। যে মুসলিম প্রধান দেশগুলির নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, সেই দেশগুলির তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে ইরাকের নাম। শুধু তাই নয়, যাদের কাছে বৈধ ভিসা রয়েছে, তাদের কাউকেই যুক্তরাষ্ট্র ঢুকতে বাধা দেওয়া হবে না। এমন নীতিই ঘোষিত হতে চলেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। অভিবাসন নীতি কঠোর করতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর আগে যে নির্দেশিকায় সই করেছিলেন, সে নির্দেশিকা মার্কিন আদালত বাতিল করে দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছিল, আদালত একটি নির্দেশিকা বাতিল করে দিয়েছে বলে সরকার হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। আবার সংশোধিত নির্দেশিকা জারি করা হবে। যে বিষয়গুলি নিয়ে আদালত আপত্তি তুলেছিল, সেগুলি এড়িয়ে নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি হবে। সেই নতুন নিষেধাজ্ঞা তৈরি হয়ে গিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বেশ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের এবং শরণার্থীদের আমেরিকা প্রবেশ কঠিন করে তোলার একাধিক সংস্থান এই নতুন নির্দেশিকায় থাকছে বলে জানা গেছে। ধর্মীয় সংখ্যালঘু শরণার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে দেওয়ার বিষয়ে যে ছাড় ছিল, নতুন নির্দেশিকায় সেই ছাড় প্রত্যাহার করা হচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে। তবে যাদের হাতে বৈধ মার্কিন ভিসা ইতিমধ্যেই রয়েছে, তারা যে দেশের নাগরিকই হন, যুক্তরাষ্ট্র ঢুকতে তাদের বাধা দেওয়া হবে না। এমন নির্দেশিকাই নাকি জারি হতে চলেছে। নতুন নির্দেশিকা তথা নিষেধাজ্ঞা জারির সব প্রস্তুতি নাকি তৈরি হয়েছে। শুধু প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর হওয়া বাকি। এবিপি।



সাম্প্রতিক খবর

বৃটেনে ইমিগ্রশন আইন শিথিল

photo লন্ডনবিডিনিউজ২৪ : বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বছরে ৩০ হাজার পাউন্ড বেতন দেওয়ার যে শর্ত রয়েছে, সেটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। বরিস জনসন বলেন, ব্রেক্সিট পরবর্তী সময়ের জন্য সরকার যে অভিবাসন নীতি প্রণয়ন করতে যাচ্ছে, আয়ের ওই শর্ত তার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment