আজ : ০৪:৫৪, অক্টোবর ১৫ , ২০১৮, ৩০ আশ্বিন, ১৪২৫
শিরোনাম :

বিলেতের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সবার কাছে প্রিয় একটি নাম স্মৃতি আজাদ


আপডেট:০২:১৩, অক্টোবর ২২ , ২০১৫
photo

মতিয়ার চৌধুরী : বৃটেনের বাংলা সাংস্কৃতিক অঙ্গনে যাদের নিয়মিত পদচারনা তাদের অন্যতম হলেন স্মৃতি আজাদ। আর এ কারনেই তিানি খুব অল্প সময়ের ভেতর প্রচুর সুখ্যাতি অর্জন করেছেন, পেয়েছেন প্রচুর দর্শক প্রীয়তা গ্রেটবৃটেনের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে রয়েছে প্রচুর সুখ্যাতি। বৃটেনের কর্মব্যস্ত জীবনের ফাঁক গলেও যারা বাংলার সাহিত্য, সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ক্যালচারকে লালন করে আসছেন, বিজাতীয় পরিবেশে গ্রেটবৃটেন তথা সমগ্র ইউরোপে বাঙ্গালীর ঐতিহ্য ও সংস্কৃৃতিকে বিদেশীদের কাছে তুলে ধরছেন তাদেরই একজন হলেন স্মৃতি আজাদ।

বৃটেনের প্রতিটি সামাজিক সাংস্কৃতিক আন্দোলনে সংগ্রামে যার পদচারনায় মুখরিত। গেটবৃটেনর বাঙ্গালী কমিউনিটিতে সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সকলের প্রীয়মুখ স্মৃতি আজাদ, হাসিমাখা মুখের প্রীয় মূখখানি জয় করেছেন সবার ঋদয়ে। ২০১৫ সালের সিজন অব বাংলা ড্রামায় তার নিজ হাতে গড়া ডকল্যান্ড থিয়েটার এন্ড পারফর্মি আর্টস পরিবেশন করবে তাদের তৃতীয় প্রযোজনা ‘‘জলের ভেতর জলের বিসর্জন।’’ শুধু মঞ্চ নয় বেডিও টেলিভিশনে তার পদচারনা ররয়েছে, একুশে টিভির প্রবাসীদের নিয়ে অনুষ্টান দিগন্ততে কাজ করেছেন। বেতার বাংলার সাাথে আছেন ২০০০সাল থেকে। বৃটেনের বিভিন্ন বাংলা টিভি চ্যানেল সাংস্কৃতিক বিষয়ক অনুষ্টান ও বিজ্ঞাপনে তাঁকে দেখা যায় প্রতিদিনই। স্বামী মিন্টু আজাদ ও দুই সন্তান প্রত্যয় ও প্রীয়তিকে নিয়ে তার ছোট্র সুখী পরিবার।

আব্দুল্লা আল মামুনের এখনো ক্রিতদাস নাটকের মাধ্যমে বিলেতে তার পথচলা। বিভিন্ন নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে থেকে ২০০৭ সাল থেকে ব্রিটেনে কাজ করে আসছেন স্মৃতি। ২০০৮ সাল থেকে নিয়মিত সিজন অব বাংলা ড্রামায় অংশ নিচ্চেন। ২০১৩ সাল থেকে নিজের সংগঠন ডকল্যান্ড থিয়েটার এ্যান্ড পারফর্মিং আর্টস এর ব্যানারে অংশ নিচ্চেন । উল্লেখযোগ্য যেসব নাটকে তিনি দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন এর মধ্যে রয়েছে ক্রিতদাস, ওরা কদম আলী, একাত্তরের রাজকন্যা, পাগলা ঘোড়া, আগুন আগুন খেলা, একটি আষাঢ়ের নাটকের মাধ্যমে মঞ্চ মাতিয়েছেন।

মুক্তিযোদ্ধা বাবা ঢালি আব্দুল রশিদের সন্তান স্মৃতি আজাদ ছোটকাল থেকেই পারিবারিক ভাবে সাংস্কৃতিক আবহে বেড়ে উঠেছেন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের যাবতীয় আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন রাজ পথে এখনও যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে লন্ডনে কাজ করছেন। মৌলবাদ বিরুধী স্মুতি আজাদ এর বাইরে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাথে আছেন। বৃটেনে নিমৃূল কমিটির মাধ্যমে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচারকে তরান্বিত ও বৃটেনে পালিয়ে থাকা একাত্তরের ঘাতকদের দেশে ফেরত পাঠাতে আন্দোলন করছেন। স্মৃতি আজাদ ১৯৮৮ সালে শিশুশিল্পি হিসেবে ঢাকার মাহবুব আলী মিলনায়তনে মঞ্চ নাটকের অংশ গ্রহনের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে প্রবেশ। তার অবসর কাটে গান শুনে ও বই পড়ে। ভ্রমন পিপাশু স্মৃতি আজাদ ইতমধ্যেই বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ ভ্রমণ করেরছেন।



সাম্প্রতিক খবর

প্রত্যেকটা উৎসবে সবাই ভাই বোনের মত কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা উদযাপন করে যাই: প্রধানমন্ত্রী

photo ঢাকা সংবাদদাতা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের জমি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্থ করে বলেছেন, সরকার ইতোমধ্যেই এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ‘এই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে জমি নিয়ে একটা সমস্যা ছিল। ইতোমধ্যেই সেই সমস্যাটা আমরা সমাধান করে ফেলেছি। বাকী কাজটা আপনাদের ওপরই নির্ভরশীল।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment