আজ : ০১:১৯, মে ২৪ , ২০১৮, ৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫
শিরোনাম :

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরিতে উত্তর কোরিয়া জড়িত: শীর্ষ মার্কিন গোয়েন্দা


আপডেট:০৩:৫৩, ফেব্রুয়ারি ১৪ , ২০১৮
photo

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: উত্তর কোরিয়ার সাইবার অপরাধীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ৮১ মিলিয়ন ডলার অর্থ চুরি করেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্টিলিজেন্সের পরিচালক ড্যান কোটস। মার্কিন সিনেট কমিটিতে দেওয়া ভাষণে মঙ্গলবার তিনি বলেন, বৈশ্বিকভাবে এবং বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি তৈরি করেছে উত্তর কোরিয়া।

বিশ্বব্যাপী সাইবার হামলার হুমকি বিষয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে ড্যান কোটস বলেন, উত্তর কোরিয়ার নাগরিকেরা ২০১৭ সালের মে মাসে ওয়ানাক্রাই র‌্যানসমওয়ার তৈরি করে তার কার্যক্রম চালানো শুরু করে। এর আগে উত্তর কোরিয়ার হিসেবে শনাক্ত হওয়া সাইবার যন্ত্রপাতি ও টেকনিক্যাল লিঙ্ক ও অবকাঠামো থেকে এই বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানান তিনি।

মার্কিন আইন প্রণেতাদের ড্যান বলেন, ‘এই সাইবার অপরাধীরাই ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ৮১ মিলিয়ন অর্থ সরানোর ঘটনা ঘটিয়েছে বলে আমাদের নিশ্চিত বিশ্বাস। চলতি সপ্তাহে ম্যানিলাভিত্তিক রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে মামলা করার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই ব্যাংকের মাধ্যমেই চুরি যাওয়া অর্থ লেনদেন করা হয়। দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে এই মামলা দায়ের হবে বলে সে সময়ে জানানো হয়েছিল।

মার্কিন কংগ্রেসের শুনানিতে ড্যান কোট বলেন, পরবর্তী বছর যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে রাশিয়া, চীন, ইরান এবং উত্তর কোরিয়া বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত হবে। অর্থ সংক্রান্ত অপরাধ, প্রচারণা এবং বার্তা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে অপরাধীরা সাইবার ক্ষেত্র ব্যবহারের চেষ্টা চালাতে থাকবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

সামরিক সংঘাতের বাইরে সাইবার আক্রমণকেও বৈদেশিক নীতির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র খুব কম ক্ষেত্রে ব্যাবহার করেছে ড্যান কোট বলেন, রাশিয়া, ইরান ও উত্তর কোরিয়া আরও আগ্রাসী হয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপর হুমকি তৈরি করছে।



সাম্প্রতিক খবর

১০ বছর ধরে অবৈধ বসবাকারীদের সাধারণ ক্ষমার জন্য অনলাইন স্বাক্ষর অভিযান

বিশেষ প্রতিনিধি: ব্রিটেনে অবৈধভাবে বসবাসকারি ইমিগ্রান্ডদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার দাবীটি ক্রমাগত জোরদার হয়ে ওঠেছে। ইতোমধ্যে নব নিযুক্ত হোম সেক্রেটারি ইমিগ্রান্ডদের স্বার্থ বিরোধী দুটি ধারা বাতিল ঘোষণা করেছেন। ব্রিটিশ ফরেন সেক্রেটারি ও লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসন বরাবরই ইল্লিগ্যাল ইমিগ্রান্টদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষনার পক্ষে মতামত ব্যক্ত করে আসছেন। সম্প্রতি স্টিভ পার্কার

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment