আজ : ০১:১৩, মে ২৪ , ২০১৮, ৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫
শিরোনাম :

ব্যাংকে লেখাপি ঋণে সরকারের দায় রয়েছে: অর্থমন্ত্রী


আপডেট:০৭:৫৮, ফেব্রুয়ারি ৩ , ২০১৮
photo

ঢাকা প্রতিনিধি: রাষ্ট্রায়াত্ব ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির জন্য সরকারের দায় স্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেছেন, সরকারের ‘জারিজুরির’ কারণে এসব ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বেড়েছে। শনিবার সকালে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সোনালী ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

গত কয়েক বছর ধরেই লেখাপি ঋণের বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে। সরকারি ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেশি থাকলেও সম্প্রতি বেসরকারি খাতেও খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়ছে। এ নিয়ে অর্থনীতিবিদরা উদ্বেগ জানিয়েছেন। অর্থমন্ত্রী নিজেও একে গুরুতর সমস্যা হিসেবে দেখছেন।

গত ২৫ জানুয়ারি সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত ১০ বছরেই ৬৫ হাজার কোটি টাকা মেরে দেয়া এক হাজর ৯৫০ জনের তালিকা দিয়েছেন জাতীয় সংসদে। এর বাইরে অবলোপন করা ঋণ মিলিয়ে খেলাপির পরিমাণ এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে, যা দিয়ে তিনটি পদ্মাসেতু করা সম্ভব।

সার্বিকভাবে এখন বিতরণ করা ঋণের ১১ শতাংশের মতো ঋণ খেলাপি হয়ে গেছে, যেগুলো আদায়ও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সোনালী ব্যাংকের অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির পেছনে আমার মনে হয় সরকারও কিছুটা দায়ী। কারণ আমাদের অধীনে যে ছয়টি ব্যাংক রয়েছে, সেগুলোর ওপর আমরা কিছুটা জারি-জুড়ি করি।’‘যেহেতু সোনালী ব্যাংক আমাদের সবচেয়ে বড় ব্যাংক, সেক্ষেত্রে এই ব্যাংকটির ওপর আমাদের জারি-জুড়ি একটি বেশি পড়ে।’

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৩ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা। যা তার আগের বছর ছিল ১০ হাজার ৯১১ কোটি টাকা। অর্থাৎ খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকারের নানা চেষ্টা সত্ত্বেও এক বছরে বেড়েছে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে সরকারের অধীনে থাকা ব্যাংকগুলোর ওপর সরকারের প্রভাব কীভাবে কমানো যায়, সে দিকটা বিবেচনা করা হচ্ছে।’সভাপতির বক্তব্যে সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আশরাফুল মকবুল বলেন, ব্যাংকটিকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সার্বিক চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়টি নিয়ে ব্যাংটির চেয়ারম্যানকে দুটি পরামর্শও দেন অর্থমন্ত্রী। বলেন, ‘প্রথমে গ্রাহকের কেওয়াইসি (নো ইউর কাস্টমার) ফর্ম ভালোভাবে চেক করতে হবে এবং দ্বিতীয়ত. ঋণ বিতরণের আগে ভালোভাবে প্রকল্প বিশ্লেষণ। যদি তা করতে পারেন তবে প্রকল্প সুন্দর হবে।’

সোনালী ব্যাংকের লোকসানি শাখাগুলোর ক্ষেত্রে বিশেষ পদক্ষেপ নেয়ারও পরামর্শ দেন অর্থমন্ত্রী। বলেন, ‘সোনালী ব্যাংকের শাখা এক হাজার ২১১ টি। এরমধ্যে ১৮১ টি শাখা লোকসানেরয়েছে। এসব লোকসানি শাখা বন্ধ করা খুবই কষ্টকর। তবে এখানে সমাধানের সুযোগও রয়েছে। যেমন, যেখানে যেখানে এই লোকসানি শাখা রয়েছে সেগুলোকে স্থানান্তর করে ওই এরিয়ার আশেপাশেই পরিবর্তন করা যেতে পারে। যেখানে গ্রাহকের চাহিদা রয়েছে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ইউনুস রহমান, সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আশরাফুল মকবুল ও এমডি ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ প্রমুখ এ সময় বক্তব্য রাখেন।



সাম্প্রতিক খবর

১০ বছর ধরে অবৈধ বসবাকারীদের সাধারণ ক্ষমার জন্য অনলাইন স্বাক্ষর অভিযান

বিশেষ প্রতিনিধি: ব্রিটেনে অবৈধভাবে বসবাসকারি ইমিগ্রান্ডদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার দাবীটি ক্রমাগত জোরদার হয়ে ওঠেছে। ইতোমধ্যে নব নিযুক্ত হোম সেক্রেটারি ইমিগ্রান্ডদের স্বার্থ বিরোধী দুটি ধারা বাতিল ঘোষণা করেছেন। ব্রিটিশ ফরেন সেক্রেটারি ও লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসন বরাবরই ইল্লিগ্যাল ইমিগ্রান্টদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষনার পক্ষে মতামত ব্যক্ত করে আসছেন। সম্প্রতি স্টিভ পার্কার

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment