আজ : ০১:২৯, মে ২৪ , ২০১৮, ৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫
শিরোনাম :

রাশিয়া বিশ্বকাপে ব্যর্থ হলেও অবসর নেবেন না মেসি


আপডেট:০৬:২৫, মে ১৬ , ২০১৮
photo

স্পোর্টস ডেস্ক: ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকা ব্যর্থতায় অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। টানা তিনবার ফাইনালে উঠেও খালি হাতে ফেরার ব্যর্থতা মেনে নিতে না পেরেই নিয়েছিলেন অমন সিদ্ধান্ত। তবে রাশিয়া বিশ্বকাপে আরেকবার হতাশ হলেও জাতীয় দল থেকে অবসর নেবেন না আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

ক্লাব ফুটবলে শিরোপার ‍বৃষ্টিতে ভিজে চলেছেন মেসি। কিন্তু জাতীয় দলের হয়ে শিরোপার ঘরটা এখনও ফাঁকাই রয়ে গেছে তার। অথচ নামের পাশে তিনটি শিরোপা থাকতে পারতো তার! টানা তিন বছর তিন ফাইনালে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি আলবিসেলেস্তেদের। কিন্তু ফুটবলদেবতা তার দিতে ফিরে তাকাননি বলেই এখনও ফাঁকা জাতীয় দলের প্রাপ্তির খাতা।

২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে ফাইনাল হার দিয়ে শুরু, এরপর ২০১৫ ও ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকায় চিলির বিপক্ষে ফাইনালেই স্বপ্নভঙ্গ পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর। ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রর কোপা আমেরিকার ফাইনাল হারের পর রাগে-দুঃখে জাতীয় দলকে বিদায়ই বলে দিয়েছিলেন তিনি। পরে অবশ্য অবসর ভেঙে ফিরে আবার বিশ্বকাপের মূল পর্বে তুলেছেন তিনি আর্জেন্টিনাকে।

এবারও যদি একই পরিস্থিতির সামনে পড়তে হয়, তাহলে? আগের থেকে এখন আরও বেশি পরিপক্ক মেসি অবসর নেবেন না জাতীয় দল থেকে। রাশিয়ার আসরে ফল যাই হোক, আর্জেন্টিনার হয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়ার কথা শুনিয়েছেন আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম ‘টিওয়াইসি স্পোর্তস’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে। মেসির স্পষ্ট কথা, ‘যদি আমরা বিশ্বকাপ নাও জিতি, আমি জাতীয় দলের হয়ে খেলা চালিয়ে যাব।’

২০১৬ সালে অবসরের ঘোষণা দেওয়াটা যে ভুল ছিল, এখন সেটা খুব ভালো করে উপলব্ধি করেন তিনি। আগের চেয়ে যে তিনি এখন আরও পরিপক্ক, তা বোঝা যায় তার এই কথায়, ‘ওটা (অবসরের ঘোষণা) বলার পর আমার মনে হয়েছিল, বিষয়টা আসলে ঠিক হয়নি। এটা দিয়ে আসলে তরুণদের ও যারা লড়াই করার স্বপ্ন দেখে, তাদের সবাইকে ভুল বার্তা দেওয়া হয়। যেটা তুমি চাও, তার জন্য চেষ্টা ও লড়াই চালিয়ে যাওয়া উচিত।’



সাম্প্রতিক খবর

১০ বছর ধরে অবৈধ বসবাকারীদের সাধারণ ক্ষমার জন্য অনলাইন স্বাক্ষর অভিযান

বিশেষ প্রতিনিধি: ব্রিটেনে অবৈধভাবে বসবাসকারি ইমিগ্রান্ডদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার দাবীটি ক্রমাগত জোরদার হয়ে ওঠেছে। ইতোমধ্যে নব নিযুক্ত হোম সেক্রেটারি ইমিগ্রান্ডদের স্বার্থ বিরোধী দুটি ধারা বাতিল ঘোষণা করেছেন। ব্রিটিশ ফরেন সেক্রেটারি ও লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসন বরাবরই ইল্লিগ্যাল ইমিগ্রান্টদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষনার পক্ষে মতামত ব্যক্ত করে আসছেন। সম্প্রতি স্টিভ পার্কার

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment