আজ : ০১:৫৭, অগাস্ট ২১ , ২০১৮, ৫ ভাদ্র, ১৪২৫
শিরোনাম :

‘অ্যাকর্ড ২.০’তে সই করতে ব্রিটিশ পোশাক ব্র্যান্ডের অনীহা


আপডেট:০৪:৫২, জানুয়ারি ৩০ , ২০১৮
photo

লন্ডন বিডি নিউজ ২৪. কম: ২০টিরও বেশি দেশের দুই শতাধিক পোশাক ব্র্যান্ড সই করেছে অ্যাকর্ড ২বাংলাদেশের পোশাক কারাখানাগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্পাদিত ‘অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ’ সংক্ষেপে চুক্তিতে এখনও সই করেনি যুক্তরাজ্যে শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি পোশাক ব্র্যান্ড। উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির আশঙ্কাসহ কারখানা মালিক ও সরকারের অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে তারা এ চুক্তিতে সই করা থেকে বিরত থাকছে। অ্যাকর্ড ২.০ নামে পরিচিত চুক্তিটির আওতায় বাংলাদেশের বেশিরভাগ পোশাক কারখানার উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার ২১টি দেশের দুই শতাধিক পোশাক ব্র্যান্ড, দুইটি বৈশ্বিক বাণিজ্যিক সংস্থা, বাংলাদেশের আটটি ট্রেড ইউনিয়ন এবং সাক্ষী হিসেবে চারটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ওই চুক্তিতে সই করেছে। চুক্তি সইয়ের তালিকায় পোশাক খাতের বেশ কয়েকটি ব্রিটিশ কোম্পানিও রয়েছে। তবে জন লুইস, মার্কস অ্যান্ড স্পেনসার (এমঅ্যান্ডএস), নেক্সট, ডেবেনহ্যামস ও সেইনসবুরি’স-এর মতো শীর্ষস্থানীয় ব্রিটিশ পোশাক ব্র্যান্ডগুলো এই চুক্তিতে এখনও সই করেনি।

২০১৩ সালে ঢাকায় রানা প্লাজা ধসের পর মূল চুক্তিতে পরিবর্তন এনে ‘অ্যাকর্ড ২.০’ নামে নতুন চুক্তি করা হয়। ওই বছরের মে মাসে মূল চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার সুরক্ষায় এই চুক্তি করা হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই শতাধিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড, কারখানা মালিক ও ইউনিয়ন সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করে। তারা বাংলাদেশের কারখানার নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ, স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ ও নিরাপত্তা কমিটি গঠনের জন্য সাড়ে পাঁচ কোটি ডলার বিনিয়োগ করে। দুইশ প্রশিক্ষিত প্রকৌশলীর মাধ্যমে নিয়মিত কারখানা পরিদর্শনের কাজটিও করানো হয় এই চুক্তির আওতায়।

অ্যাডিডাস, এইচ অ্যান্ড এম, লিদি ও প্রিমার্কের মতো ৬০টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশের ১২ শতাধিক কারখানা থেকে পোশাক তৈরি করিয়ে থাকে। এই ব্র্যান্ডগুলো এরই মধ্যে ‘অ্যাকর্ড ২.০’তে সই করেছে। তবে ব্রিটিশ কয়েকটি পোশাক ব্র্যান্ড এই চুক্তিতে সইয়ের বিষয়ে অনীহা দেখিয়ে আসছে।
এ প্রসঙ্গে সেইনবুরি’স-এর একজন মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে স্থানীয় উৎপাদনকারীদের সহায়তা করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’

অন্যদিকে, এমঅ্যান্ডএস, জন লুইস, ডেবেনহ্যামস ও নেক্সট বলেছে, চুক্তিতে সইয়ের বিষয়টি এখনও তাদের কাছে আলোচনাধীন এবং তারা এ বিষয়ে সম্ভাব্য কী করা যায়, তা খতিয়ে দেখছে। এ প্রসঙ্গে নেক্সট’র একজন মুখপাত্র বলেন, ‘নেক্সটযদি অ্যাকোর্ড ২.০ চুক্তিতে সই না করার সিদ্ধান্ত নেয়, তার এই অর্থ এই না যে আমরা কারখানাগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা করছি না। বরং আমরা এ বিষয়ে নিশ্চয়তা দিতে পারি যে, বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো যথাযথ ও সরাসরি নিযুক্ত জনবল (ও কার্যালয়) আমাদের এখনই আছে।’

এই চুক্তিতে ব্রিটিশ পোশাক ব্র্যান্ডগুলোর সই না করার পেছনে খরচ বৃদ্ধির আশঙ্কা, পোশাক কারখানার মালিক ও বাংলাদেশ সরকারের অসহযোগিতার কথা বিভিন্ন সময়ে বলা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক সংগঠন ইন্ডাস্ট্রিঅল-এর সহকারী মহাসচিব জেনি হোল্ডকোর্ট বলেন, ‘ব্র্যান্ডগুলোর উচিত অ্যাকোর্ডের সঙ্গে থাকা। তা না হলে কারখানাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যে পরিমাণ বিনিয়োগ করা হয়েছে এবং যে পরিমাণ শ্রম দেওয়া হয়েছে, তা নষ্ট হতে সময় লাগবে না।’



সাম্প্রতিক খবর

অনুমতি ছাড়া ফৌজদারি মামলায় সরকারি চাকুরেদের গ্রেপ্তার নয়

photo ঢাকা সংবাদদাতা: অভিযোগপত্র গ্রহণের আগে ফৌজদারি মামলায় সরকারি কর্মচারীকে গ্রেপ্তারে সরকারের অনুমতি নেয়ার বাধ্যবাধকতা আরোপ হচ্ছে।সোমবার ঈদের আগে মন্ত্রিসভার শেষ বৈঠকে অনুমোদন হওয়া ‘সরকারি চাকরি আইন ২০১৮’ এর চূড়ান্ত খসড়ায় এমন বিধান রাখা হয়েছে। তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম এই তথ্য জানান। বলেন, ‘আগে গ্রেপ্তার

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment