আজ : ০১:২৮, মে ২৪ , ২০১৮, ৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫
শিরোনাম :

লালগালিচায় খালি পায়ে ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট!


আপডেট:০৬:১৩, মে ১৬ , ২০১৮
photo

বিনোদন ডেস্ক: কান উৎসবের লালগালিচায় নারীদের পায়ে উঁচু হিল থাকতেই হবে, এমন একটা অঘোষিত নিয়ম আছে। বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানজনক এই আয়োজনের ৭১তম আসরে সেই ফ্যাশন নীতিকে বিদ্রুপ করলেন ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট। উঁচু হিল খুলে খালি পায়ে কানের লালগালিচায় হাঁটলেন ‘টোয়াইলাইট’ তারকা।


সোমবার (১৪ মে) স্পাইক লি পরিচালিত ‘ব্ল্যাকক্ল্যান্সম্যান’ ছবির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার উপলক্ষে হচ্ছিল লালগালিচার অনুষ্ঠান। তখন ফরাসি ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান ক্রিশ্চিয়ান লুবুটিনের কালো হিল পরে এসেছিলেন ক্রিস্টেন। তবে গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরের সিঁড়িতে পা রাখার আগে জুতা খুলে ফেলেন তিনি। এরপর খালি পায়ে এগিয়েছেন। ২৮ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী যে এমন কাণ্ড ঘটাবেন তা আঁচ করতে পারেননি আয়োজকরাও।

উৎসবটির এবারের আসরের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে থাকা ১০ বিচারকের একজন ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট। লালগালিচায় পোশাকের ঝলকানি দেখিয়ে সবার মনোযোগ কাড়তে তার জুড়ি নেই। গতবারের আসরে নারীদের জন্য কানের ফ্যাশন নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, ‘মেয়েরা উঁচু হিল না পরলে সবাই হতাশ হয়। কিন্তু আমার মনে হয়, এটি ইচ্ছের ব্যাপার। ছেলেদেরকে যদি হিল পরতে না বলা হয় তাহলে মেয়েদেরকেও বলা উচিত না।’

ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টই প্রথম নন, ২০১৬ সালে নিজের অভিনীত ‘মানি মনস্টার’ ছবির প্রিমিয়ারের আগে কানের লালগালিচায় খালি পায়ে হেঁটেছেন হলিউড নন্দিনী জুলিয়া রবার্টস।

কানকে সাম্প্রতিক বছরে যেসব কারণে খোঁটা দেওয়া হয়েছে উঁচু হিল সেগুলোর একটি। এ নিয়ে একটা চাপা বিতর্ক আছেই। ২০১৫ সালে উঁচু হিল না পরার কারণে লালগালিচায় বেশ কয়েকজন নারীকে ঢুকতে দেননি নিরাপত্তা কর্মীরা। কারণ ফ্ল্যাট জুতা নাকি নিষিদ্ধ। এ কারণে তখন ব্রিটিশ অভিনেত্রী এমিলি ব্লান্ট বলেন, ‘এই নিষেধাজ্ঞা খুবই হতাশাজনক। প্রত্যেকেই ফ্ল্যাট জুতা পরতে পারে। আমাদেরকে উঁচু হিল পরতেই হবে, এমন নিয়ম থাকা ঠিক নয়।’



সাম্প্রতিক খবর

১০ বছর ধরে অবৈধ বসবাকারীদের সাধারণ ক্ষমার জন্য অনলাইন স্বাক্ষর অভিযান

বিশেষ প্রতিনিধি: ব্রিটেনে অবৈধভাবে বসবাসকারি ইমিগ্রান্ডদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার দাবীটি ক্রমাগত জোরদার হয়ে ওঠেছে। ইতোমধ্যে নব নিযুক্ত হোম সেক্রেটারি ইমিগ্রান্ডদের স্বার্থ বিরোধী দুটি ধারা বাতিল ঘোষণা করেছেন। ব্রিটিশ ফরেন সেক্রেটারি ও লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসন বরাবরই ইল্লিগ্যাল ইমিগ্রান্টদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষনার পক্ষে মতামত ব্যক্ত করে আসছেন। সম্প্রতি স্টিভ পার্কার

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment