আজ : ০৮:১৮, ফেব্রুয়ারি ১৭ , ২০১৯, ৫ ফাল্গুন, ১৪২৫
শিরোনাম :

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সহিংসতাকারীদের বিচার হবেই: জয়


আপডেট:০৬:২৬, অগাস্ট ৯ , ২০১৮
photo

ঢাকা সংবাদদাতা: নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় যারা সহিংসতা করেছিল তাদের বিচার হবেই বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।

জয় বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাসী। কিন্তু সহিংসতা উস্কে দেয়া ও অন্যের ক্ষতি করা বাকস্বাধীনতা না। এর জবাবদিহিতা ও বিচার থাকতে হবে, নাহলে বার বার একই কাণ্ড ঘটতেই থাকবে। তাই, যারা গত কয়েকদিন সহিংসতায় অংশ নিয়েছে, তাদের বিচার হবেই।’

বুধবার দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে এক স্ট্যাটাসে জয় এসব কথা বলেন। গত ২৯ জুলাই ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে বাস চাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহতের জেরে পরদিন থেকে নিরাপদ সড়কের দাবিতে ব্যাপক আন্দোলনে নামে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। আর তাদের রাস্তায় নেমে যান চলাচল ব্যাহত করার মধ্যে অছাত্ররাও স্কুলের পোশাক পরে অংশ নিয়েছে এমন প্রমাণও মিলেছে।

এর মধ্যে আবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে চার ছাত্রকে হত্যা ও চার ছাত্রীকে ধর্ষণের গুজব ফেসবুকে ছড়ানো হয় পরিকল্পিতভাবে। আর এর মাধ্যমে উত্তপ্ত করা হয় পরিস্থিতি। পরে ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা।

এর মধ্যে গত রবিবার থেকে ছোটরা রাস্তা থেকে সরে গেলেও বড়রা আবার রাস্তায় নামে। রামপুরা এবং বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ ও বহিরাগতদের সংঘর্ষ হয়।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সহিংসতার দিকে ঠেলে দিতে বিরোধী দলগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে অপপ্রচার চালাতে থাকে বলে ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন সজীব ওয়াজেদ জয়। নিচে জয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো-

‘নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এখন শেষ। এই আন্দোলনের শুরুর দিকেই আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার সব দাবি মেনে নেয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ নির্দেশনা দেন ও শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেন ঘরে ফেরার, কারণ তাদের আন্দোলন সফল হয়েছে।

দুর্ভাগ্যবশত, সরকার সব দাবি মেনে নিলেও বিএনপিসহ ১/১১'র মিলিটারি ক্যু'র কুশীলব, কিছু চিহ্নিত সুশীল সমাজের এই আন্দোলনের দিকে কুনজর পরে। তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যমূলকভাবে উস্কে দিতে থাকেন আন্দোলন চালিয়ে যেতে। ক্রমশই আন্দোলনটি সহিংসতার দিকে যেতে থাকে। প্রাইভেট গাড়ি ভাঙা হয়, পোড়ানো হয় বাস এমনকি মোটরসাইকেলও জ্বালানো হয়।

পর্দার পেছনে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে ব্যবহার করে অপপ্রচার চালাতে থাকে বিরোধী দলগুলো। তাদের উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের সহিংসতার দিকে ঠেলে দেয়া। পুলিশের উপর আঘাত আসে, আক্রমণ করা হয় বর্ডার-গার্ডদেরও।

আমরা সবাই অভিনেত্রী নওশাবার ভিডিওটি দেখেছি, যেটি উনি নিজেই ভুয়া হিসেবে মিডিয়ার কাছে স্বীকার করেছেন। শহিদুল আলম শুধু এমন গুজবই ছড়াননি, ছড়িয়েছেন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের কাছে। ৭১ এর রাজাকারদের মতনই এখনো নিজ স্বার্থে দেশের স্বার্থ বিসর্জন দেয়ার মতন অনেক মানুষই আছে।

আমাদের মনে আছে ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামাতের অগ্নিসন্ত্রাসের কথা, যখন ১০০ এর অধিক নিরীহ মানুষ প্রাণ হারান ও হাজার হাজার মানুষ আহত হন। জনগণের স্বার্থেই অরাজকতা ও সহিংসতার জবাব দিতে হয়।



সাম্প্রতিক খবর

উপজেলা ভোটে বিএনপিসহ বড় দলের না আসাটা হতাশাজনক: সিইসি

photo ঢাকা প্রতিবেদক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে বিএনপিসহ বড় কয়েকটি রাজনৈতিক দল অংশ নেবে না। এটা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জন্য হতাশাজনক খবর। রোববার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ (টিওটি) কর্শালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment