আজ : ০৩:৫২, অক্টোবর ১৫ , ২০১৮, ৩০ আশ্বিন, ১৪২৫
শিরোনাম :

নোবেল শান্তি পুরস্কার: জাতিসংঘের পছন্দ শেখ হাসিনা


আপডেট:০৯:৪৪, সেপ্টেম্বর ২৯ , ২০১৭
photo

আব্দুল কাদির চৌধুরী মুরাদ।। নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য জাতিসংঘ এবং তাঁর অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোর মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবছরই পুরস্কার ঘোষণার আগে সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে শান্তি এবং যুদ্ধ বিরোধী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মতামত নেওয়া হয়। এবারও এই মতামত নেওয়া হয়েছে।

একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সহ একাধিক সংস্থা এবছর নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য পছন্দের তালিকায় শেখ হাসিনার নাম রেখেছেন। প্রতিবছর জাতিসংঘের কাছ থেকে নোবেল কমিটি এরকম তালিকা গ্রহণ করে।

নোবেল শান্তি পুরস্কারের লক্ষ্য এবং জাতিসংঘের কর্মসূচি প্রায় কাছাকাছি। এ কারণেই জাতিসংঘের মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘ এবং এর বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যক্তি সর্বাধিকবার নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছে।

জাতিসংঘের মহাসচিবের মতামত ছাড়াও, এই পুরস্কারের জন্য মতামত দিয়েছেন ইউনাইটেড নেশনস অফিস ফর দ্য কোঅরডিনেশন অব হিউম্যানিটেরিয়ান অ্যাফেয়ার্সের (OCHA) প্রধান, আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক লোকক। তিনি তাঁর পছন্দের তালিকায় শেখ হাসিনাকে রেখেছেন।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এর প্রধান, হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি প্রতিবছরের মতো এবারও তাঁর প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টিতে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য যোগ্য ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামের তালিকা পাঠিয়েছেন। এই তালিকায় শেখ হাসিনার নাম রয়েছে বলে জানা গেছে।

জাতিসংঘের বাইরে বিশ্বজুড়ে শান্তি ও মানবতার জন্য স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটিও (আইসিআরসি) নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য নোবেল কমিটির কাছে তাদের মতামত পাঠিয়েছেন। আইসিআরসির সভাপতি পিটার ময়্যার তার পছন্দের তালিকায় শেখ হাসিনার নাম লিখেছেন।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, এপর্যন্ত নোবেল কমিটি নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য যতগুলো বিশেষজ্ঞ মতামত পেয়েছেন, তার প্রায় সব গুলোতেই শেখ হাসিনার নাম রয়েছে। নোবেল শান্তির ইতিহাসে এত বিপুল মতামতের পরও নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি মাত্র দুবার। দুবারই নোবেল শান্তি পুরস্কার থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন এই উপমহাদেশেরই দুজন।

১৯৪৮ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য সর্বসম্মতভাবে মনোনীত হয়েছিলেন ভারতের প্রতিষ্ঠাতা মহাত্মা করমচাঁদ গান্ধী। নোবেল কমিটি পুরস্কার ঘোষণার ৫০ বছর পর মনোনয়ন প্রাপ্তদের নাম প্রকাশ করে।

১৯৯৮ সালে প্রকাশিত ৪৮‘র মনোনয়ন তালিকার মধ্যে মহাত্মা গান্ধীর নাম ছিল। কিন্তু ওই বছর নোবেল কমিটি কাউকেই ওই পুরস্কার দেয় নি।

১৯৭২ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ইন্দিরা গান্ধী ছিলেন নিশ্চিত প্রার্থী। পুরস্কার ঘোষণার আগেই তাঁকে আগাম অভিনন্দনও জানানো হয়েছিল। কিন্তু ওই বছরও কমিটি শান্তি পুরস্কারের জন্য কাউকে যোগ্য মনে করেনি।



সাম্প্রতিক খবর

বাকস্বাধীনতা খর্ব করার অভিযোগে কমিশন সভা বর্জন মাহবুব তালুকদারের

photo ঢাকা সংবাদদাতা: বাকস্বাধীনতা খর্ব করার অভিযোগে নির্বাচন নির্বাচন কমিশনের সভা বর্জন করেছেন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। আজ কমিশন সভা শুরুর পাঁচ মিনিট পর আনঅফিসিয়াল (ইউও) নোট দিয়ে বের হয়ে আসেন তিনি। বের হওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের সভা বর্জনের বিষয় নিশ্চিত করলেও বিস্তারিত কিছু বলেননি। সকাল ১১টা ১০ মিনিটে কমিশনের ৩৬ তম সভা শুরু হয়। সভায় বাকস্বাধীনতা খর্ব করার অভিযোগ তুলে কয়েকটি বিষয়ে

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment