আজ : ০৯:২৫, জানুয়ারি ২৫ , ২০২০, ১২ মাঘ, ১৪২৬
শিরোনাম :

প্রস্তাবিত নতুন আইন: ৫ বছর ইতালিতে বাস করলেই নাগরিকত্ব


আপডেট:০২:৫৭, ডিসেম্বর ৫ , ২০১৬
photo

লন্ডনবিডিনিউজ২৪: ইতালির নাগরিকত্ব আইনে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেছে। শিগগিরই এ আইন পাস হলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভাগ্য বদলাতে পারে। ঘুরে দাঁড়াতে পারে যান্ত্রিক জীবন।

জানা গেছে, গত ২ এপ্রিল ইতালির সংসদে নাগরিকত্ব আইনের ১৪টি নতুন প্রস্তাব জমা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো লা ইতালিয়া সোনো আংকে ইও (বাংলায় যার অর্থ হলো আমিও ইতালিয়ান)।

প্রস্তাবটি ইতোমধ্যেই ব্যাপক আলোচনায় এসেছে। কারণ প্রস্তাবটি চেম্বার অব ডেপুটিতে তোলার জন্য ৫০ হাজার স্বাক্ষর গ্রহণের প্রয়োজন ছিল। সেখানে প্রস্তাবিত এই আইনের পক্ষে ১ লাখ ৩২৯টি স্বাক্ষর নিয়ে জমা দেয়া হয়েছে, যা বর্তমানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

আইনটি পাস হলে ইতালির নাগরিকত্ব আইন পরিবর্তন ছাড়াও অভিবাসীরা স্থানীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার পাবেন। এছাড়া এক বছর বৈধভাবে ইতালিতে বসবাসকারী অভিবাসীদের জন্ম নেয়া সন্তানরা নাগরিকত্ব পাবে।

পাশাপাশি বর্তমানে প্রচলিত আইনের ১০ বছর পরিবর্তে কমপক্ষে ৫ বছর বৈধভাবে বসবাসকারীকে ইতালির নাগরিকত্ব প্রদান করতে হবে। ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে ইতালিতে বৈধভাবে ৫ বছর বসবাসকারী ইইউ’র নাগরিকদের মতো অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও স্থানীয় পর্যায়ের সকল নির্বাচনে ভোটার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ইতোমধ্যে ডেমোক্রেটিক পার্টির পক্ষ থেকে চেম্বার অব ডেপুটির কাছে আলাদা আলাদা ভাবে প্রস্তাবগুলো জমা দেয়া হয়েছে। সিনেটের ডেমোক্র্যাট পার্টির সিনেটর লুইজি মানকোনি এবং ফেলেসি কাসসন ইতালিয়ান নাগরিকত্ব আইনের পরিবর্তনের প্রস্তাব জমা দিয়েছেন।

এছাড়া সিনেস্ত্রা ইকোলোপিয়া লিবের্তা পার্টি এবং সেলতা সিভিকা আইন পরিবর্তনের ২টি প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। এদিকে লেগা নর্থ এবং পার্তিতো সোসালিস্তা ১টি করে আইন পরিবর্তনের প্রস্তাব জমা দিয়েছেন।

তবে ইতালিয়ান নাগরিকত্ব আইন পরিবর্তনের জন্য মুভিমেন্তো সিনকুয়ে স্টেল্লা এখনো কোনো প্রস্তাব জমা দেননি।



সাম্প্রতিক খবর

বৃটেনে ইমিগ্রশন আইন শিথিল

photo লন্ডনবিডিনিউজ২৪ : বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বছরে ৩০ হাজার পাউন্ড বেতন দেওয়ার যে শর্ত রয়েছে, সেটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। বরিস জনসন বলেন, ব্রেক্সিট পরবর্তী সময়ের জন্য সরকার যে অভিবাসন নীতি প্রণয়ন করতে যাচ্ছে, আয়ের ওই শর্ত তার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment