আজ : ০৮:২৭, জানুয়ারি ২৫ , ২০২০, ১২ মাঘ, ১৪২৬
শিরোনাম :

ব্রিটেনে অবৈধরা কাজ করলে ৬মাসের জেল : চাকুরি দাতার ৫ বছরের ( ভিডিও )


আপডেট:১০:৪৮, অগাস্ট ২৫ , ২০১৫
photo

লন্ডনবিডিনিউজ২৪: ইংল্যান্ড ও ওয়েলন্সে অবৈধ ইমিগ্রেন্টরা কাজ করলে ৬মাস পর্যন্ত জেল দেয়া হতে পারে। আগামী ইমিগ্রেশন বিলে এমন বিধান রেখে আইন পাস হচ্ছে। চলতি বছরের শেষ দিকেই এই আইন কার্যকর হতে পারে। প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী যারা অবৈধ ইমিগ্র্যান্টদের কাজ দিবে সেসব টেকওয়ে ও অফ লাইসেন্স এর ব্যবসা পরিচালনার লাইনেন্স বাতিল করা হবে। অবৈধরা কাজ করলে সীমাহীন জরিমানার বিধান এবং যিনি কাজ করবেন তার বেতনের টাকা জব্দ করার বিধান আসছে। হোম অফিসের কর্মকর্তারা আরো চিন্তা করছেন যে, যেসব মিনিক্যাব ড্রাইবার এবং অপারেটর অবৈধদের কাজ দিবে তাদেরও লাইসেন্স বাতিলের বিধান করা। নতুন আইনে অবৈধদের কাজ দেয়ার ব্যাপারে চাকুরীদাতাদের যেসব ডিফেন্স এখন বিবেচনা করা হয় সেগুলিও পরিবর্তন করার প্রস্তাবনা রয়েছে। নতুন প্রস্তাবনায় এখন আর চাকুরীদাতারা বলতে পারবেননা যে তারা জানেননা অবৈধ ইমিগ্র্যান্টদের কাজ করা অনুমতি আছে কি না।


নতুন আইনে চাকুরী দাতাদেরকে প্রমান করতে হবে যে, ইমিগ্র্যান্টদেরকে কাজে রাখার আগে তারা যাচাই বাচাই করে দেখেছেন তাদের কাজের বৈধতা আছে কিনা। অবৈধদের কাজ দেয়ার শাস্তি দুই বছর থেকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই শাস্তি আর্থিক জরিমার অতিরিক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।


এই আইন ঘোষনার পর ইমিগ্রেশন মিনিষ্টার জেমস ব্রকেন শায়ার বলেছেন, যারা মনে করে যুক্তরাজ্য ইমিগ্র্যান্টদের ব্যাপারে নরম তাদেরকে মনে করিয়ে দিতে চাই আপনি যদি অবৈধভাবে থাকেন তাহলে আপনাকে কাজ করতে দেয়া হবে না, ঘরভাড়া নিতে দেয়া হবে না, ব্যাংক একাউন্ট করতে দেয়া হবে না এমনকি গাড়ী চালাতে দেয়া হবে না।


তিনি আরো বলেন, একটি একক জাতি হিসেবে আমরা ইমিগ্রেশন সিস্টেমের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে ধরপাকড় চালিয়ে যাব। ব্রিটিশ জনগনের স্বার্থে কাজ করব এবং সবকিছুই আইনের মাধ্যমেই করব।
এই মাসের শুরুতে সরকার আরো ঘোষনা করেছে যে, ইংল্যান্ডে ল্যান্ডলর্ডরা অবৈধদের কোর্টের অর্ডার ছাড়া টেন্টেদের উচ্ছেদ করতে পারবে এবং বাড়ী বাড়ার চুক্তি বাতিল করতে পারবে।



সাম্প্রতিক খবর

বৃটেনে ইমিগ্রশন আইন শিথিল

photo লন্ডনবিডিনিউজ২৪ : বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বছরে ৩০ হাজার পাউন্ড বেতন দেওয়ার যে শর্ত রয়েছে, সেটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। বরিস জনসন বলেন, ব্রেক্সিট পরবর্তী সময়ের জন্য সরকার যে অভিবাসন নীতি প্রণয়ন করতে যাচ্ছে, আয়ের ওই শর্ত তার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment