আজ : ১২:০৪, অক্টোবর ১৬ , ২০১৮, ৩০ আশ্বিন, ১৪২৫
শিরোনাম :

ভেনেজুয়েলায় গাড়ি জরিপ, জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা


আপডেট:০৪:৫৪, অগাস্ট ৪ , ২০১৮
photo

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভেনেজুয়েলার সরকার গাড়ির মালিকানার ওপর জরিপ শুরু করেছে। বিপর্যস্ত অর্থনীতির হাত থেকে উদ্ধার পেতে নেওয়া এই উদ্যোগের প্রতিক্রিয়ায় সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, দেশটি জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে রেশনিং চালু করতে পারে। সরকার দাবি করেছে, গাড়ির জরিপ জ্বালানির ‘যুক্তিযুক্ত ব্যবহার’ নিশ্চিত করবে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ওপেক সদস্য দেশটি জ্বালানিতে প্রচুর পরিমাণ ভর্তুকি দেয় এবং এখনও সেখানে জ্বালানি তেলের দাম বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম।

ভেনেজুয়েলাতে গত পাঁচ ছর ধরেই জ্বালানি নিয়ে সংকট চলছে। অর্থনৈতিক মন্দার কারণে তেল রিফাইনারিগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতে তেল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো বলেছেন, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে গাড়ির জরিপ করাই কর্তব্য। ভেনেজুয়েলার নাগরিকরাও গাড়ির মালিকানার বিষয়ে সরকারি জরিপে অংশ নিচ্ছেন । ৪৫ বছর বয়সী ট্যাক্সি চালক জুয়ান সুয়ারেজ বলেছেন, ‘আমি আশঙ্কা করছি, রেজিস্ট্রেশন না করলে সরকার আমার কাছে তেল বিক্রি করবে না। সেই ভয় থেকেই রেজিস্ট্রেশন করতে হয়েছে।’ শুক্রবার কারাকাসে ছয় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে গাড়ির জরিপে নিজের তথ্য জমা দিয়েছেন সুয়ারেজ।

ভেনেজুয়েলায় যে গাড়ি জরিপ চলছে তাতে গাড়ির মালিকদের সরকারি ‘ফাদারল্যান্ড কার্ড’ ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। তারপর তাদের গাড়ির তথ্য ও ব্যবহৃত জ্বালানির পরিমাণ জানাতে হয়। এসব তথ্য অন্যলাইনে জমা দিয়ে সরকারি অফিসে কার্ড নিয়ে সশরীরে উপস্থিত হতে হয় প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে।

কিন্তু সবক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়া একই নয়। ট্যাক্সি চালক জরিপে গেলেও ওই গাড়ি জরিপের প্রতিবাদে কয়েক ডজন ট্রাক চালক কারাকাসের রাস্তা অবরোধ করেছেন। তাদের ভাষ্য, জরিপ সমস্যার সমাধান করবে না। পরিস্থিতি এতটাই বিপদজনক হয়ে উঠেছে যে দরিদ্ররা বাসে করে যাওয়া আসার বদলে এখন ট্রাকে চড়ে যাওয়া-আসা করে। ভেনেজুয়েলার যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সামনে বিক্ষোভ অনুষ্ঠানের উদ্দেশে রওনা হওয়া দেশটির প্রধান শ্রমিক সংগঠনের নেতা জোসে লুইস ট্রোসেল বলেছেন, ‘আমাদেরকে চাকা ও লুবরিক্যান্ট দেওয়া হয়নি। এসব ছাড়া আমরা কাজ করতে পারছি না। এরকম জরিপ দিয়ে পরিবহন শ্রমিকদের সমস্যার সমাধান হবে না।’

যাদের ফাদারল্যান্ড কার্ড নেই তারা এই রেজিস্ট্রেশন করতে পারে না। বিরোধীরা দাবি করেছে, ওই কার্ডের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে মাদুরো সরকার তাদের প্রান্তিক করে দিয়েছে। কারণ বিরোধীরা ওই কার্ড গ্রহণ করেননি। মাদুরো সরকার খাদ্য থেকে বোনাস বরাদ্দ সব কিছুতে ওই কার্ড ব্যবহার করছে।

বিরোধী নেতা ও অর্থনীতিবিদ জোসে গুয়েরা টুইটারে লিখেছেন, ‘তারা ভেনেজুয়েলাকে শেষ করে দিয়েছে। তারা রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান পিডিভিএসএকে ধ্বংস করেছে এবং এখন তারা জ্বালানি তেল রেশনিংয়ের আওতায় আনতে চায়। অথচ পশ্চিম গোলার্ধের দেশগুলোর মধ্যে ভেনেজুয়েলাতেই সবচেয়ে বড় তেলের মজুদ রয়েছে। এই ব্ল্যাকমেইলকে না বলুন।’



সাম্প্রতিক খবর

প্রত্যেকটা উৎসবে সবাই ভাই বোনের মত কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা উদযাপন করে যাই: প্রধানমন্ত্রী

photo ঢাকা সংবাদদাতা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের জমি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্থ করে বলেছেন, সরকার ইতোমধ্যেই এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ‘এই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে জমি নিয়ে একটা সমস্যা ছিল। ইতোমধ্যেই সেই সমস্যাটা আমরা সমাধান করে ফেলেছি। বাকী কাজটা আপনাদের ওপরই নির্ভরশীল।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment