আজ : ০৯:১৫, এপ্রিল ১৯ , ২০১৯, ৬ বৈশাখ, ১৪২৬
শিরোনাম :

তৃতীয় দফার ভোটকে কেন্দ্র করে ব্রেক্সিট বিতর্ক শুরু


আপডেট:০৩:৩৮, মার্চ ২৭ , ২০১৯
photo

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের সম্ভাব্য বিকল্পগুলো নিয়ে বিতর্ক শুরু করছেন ব্রিটিশ আইন প্রনেতারা। আর প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে তার চুক্তির পক্ষে নিজ দলের আইনপ্রণেতাদের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, কয়েক জন আইনপ্রণেতা চাইছেন, চুক্তিতে সমর্থন দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী তার পদত্যাগের ঘোষণা করুক।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ২৯ মার্চের পরিবর্তে ১২ এপ্রিল যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে ইউরোপীয় নেতারা। আগামী সপ্তাহে থেরেসার চুক্তি অনুমোদন পেলে ব্রেক্সিট কার্যকরের সময়সীমা ২২ মে পর্যন্ত বাড়াতে রাজি আছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তবে কোনও বিকল্প পরিকল্পনা বাস্তবায়িত না হলে চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট হবে; ১২ এপ্রিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাবে যুক্তরাজ্য।

বিবিসি জানিয়েছে, বিতর্কের পর আইনপ্রণেতাদের প্রত্যেকের সামনে ছয়টি বিকল্প প্রস্তাব সংক্রান্ত কাগজ তুলে দেওয়া হবে। এরমধ্যে যে প্রস্তাবগুলোতে তাদের সম্মতি থাকবে, সেগুলোকে তারা ‘হ্যা’ হিসেবে চিহ্নিত করবেন, আর যেগুলোতে তাদের আপত্তি থাকবে সেগুলোকে ‘না‌’ হিসেবে চিহ্নিত করবেন।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দুই দফায় প্রত্যাখ্যাত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র ব্রেক্সিট চুক্তি। এই চুক্তি নিয়ে নিজ দল রক্ষণশীল দলের সংসদ সদস্যদেরও বিরোধিতার মুখে পড়ছেন তিনি। আগামী সপ্তাহে পার্লামেন্টে তৃতীয় দফায় স্পিকারের ওই ছয় প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটির কথা রয়েছে। গত রবিবার রক্ষণশীল দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে কথা বলে দেশটির সংবাদমাধ্যম বিবিসি আভাস দেয়, কেবল প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার শর্তেই নিজের ব্রেক্সিট চুক্তিতে দলীয় এমপিদের সমর্থন পেতে পারেন থেরেসা মে।

ব্রিটেনের কর্ম ও অবসরভাতা বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাম্বার রুড সাংবাদিকদের বলেছেন, ধারাবাহিকভাবে কী মেনে নেব না বলার চেয়ে কী মেনে নেব বলাটা পার্লামেন্টের জন্য এখন গুরুত্বপূর্ণ।



সাম্প্রতিক খবর

সরকারের হস্তক্ষেপের কারণে খালেদা জিয়া জামিন পাচ্ছেন না : আলাল

photo ঢাকা প্রতিনিধি: বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, বাংলাদেশে খাতা-কলমে আইন আছে, প্রশাসনও আছে। কিন্তু আইনের শাসন বলতে যেটা বোঝায় সেটা কিন্তু আওয়ামী লীগের আমলে নেই। আইনের শাসন নেই বলেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরকারের হস্তক্ষেপের কারণেই মুক্তি পাচ্ছে না। আইন যদি থাকত আর আইনের বাস্তবায়ন থাকত তিনি অবশ্যই অনেক আগেই জামিন পেতেন। সরকারের পক্ষ থেকে বারবার জামিনে

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment