আজ : ১১:৪৫, ডিসেম্বর ১০ , ২০১৮, ২৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫
শিরোনাম :

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে অভিযোগ গঠন


আপডেট:০৬:০৯, নভেম্বর ১৮ , ২০১৮
photo

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে সাড়া জাগানো বিকল্প সংবাদমাধ্যম উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। গত আগস্টে ভার্জিনিয়ার আলেকজান্দ্রিয়া জেলা আদালতে এই অভিযোগ গঠন করা হলেও তা প্রকাশ্যে আনা হয়নি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভুল করে এ সংক্রান্ত নথি প্রকাশ করে ফেলেন প্রসিকিউটররা। তবে এতে অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে কোন কোন অভিযোগ আনা হয়েছে তা জানা যায়নি। উইকিলিকসে হাজার হাজার মার্কিন গোপন নথি ফাঁস করে দিয়ে আলোচনায় আসেন অ্যাসাঞ্জ।

অ্যাসাঞ্জ সম্পর্কিত নয় এমন একটি মামলায় ভুল করে প্রসিকিউটর নথিটি প্রকাশ করেন। নথি অনুসারে আগস্টে ভার্জিনিয়া আলেক্সান্দ্রিয়ার ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে অভিযোগটি দাখিল করা হয়েছে। এ সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র রয়টার্সকে জানায়, নথিটি সিল করা থাকলেও চলতি সপ্তাহে কেন তা খোলা হয়েছে সেই কারণ এখনও স্পষ্ট না।

টুইটারে উইকিলিকসের এক বার্তায় দাবি করা হয়েছে, সম্ভবত ‘কাট অ্যান্ড পেস্টের ভুলে’ নথিটি প্রকাশ হয়ে পড়েছে। অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের নথি প্রকাশ হয়ে পড়া নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি মার্কিন কর্মকর্তারা। তবে প্রকাশ হয়ে পড়া নথিটি দাখিল করা প্রসিকিউটর কার্যালয়ের মুখপাত্র জসুয়া স্টুয়েভ রয়টার্সকে বলেছেন, ভুল করে আদালতে নথি দাখিল করা হয়েছে। এই অভিযোগ দাখিল করার কথা ছিল না।

প্রকাশ হয়ে পড়া নথিতে দেখা গেছে, অ্যাসাঞ্জকে গ্রেফতারের আগে পর্যন্ত অভিযোগ গোপন রাখতে চেয়েছেন প্রসিকিউটররা। বলা হয়েছে, গ্রেফতার বা প্রত্যাবাসন যেন এড়াতে না পারেন সেকারণে এটা গুরুত্বপূর্ণ। নথিতে বলা হয়েছে, আসামির স্পর্শকাতরতা এবং এই মামলা ঘিরে চলা প্রচারণার কারণে অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়টি গোপন রাখা প্রয়োজন।

কোন মামলায় অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে সে বিষয়ে কোনও কিছু জানা না গেলেও এর আগে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, আলেকজান্দ্রিয়ার প্রসিকিউটরেরা উইকিলিকস ও এর প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে একটি দীর্ঘমেয়াদি তদন্ত চালাচ্ছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওসহ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের প্রতিনিধিরা প্রকাশ্যেই অ্যাসাঞ্জের কঠোর বিচারের আহ্বান জানিয়ে আসছেন।

অ্যাসাঞ্জ ও তার সমর্থকেরা ধারাবাহিকভাবে বলে আসছেন, মার্কিন কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে গোপনে অপরাধের অভিযোগ দাখিল করে আসছে। তবে কিছুদিন আগ পর্যন্তও এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

যৌন নিপীড়নের মামলায় যুক্তরাজ্য থেকে সুইডেনে প্রত্যাবাসনের মুখোমুখি হয়ে ছয় বছর আগে লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয় নেন অ্যাসাঞ্জ। প্রথমে সেখানে তাকে অতিথি হিসেবে স্বাগাত জানানো হলেও দক্ষিণ আমেরিকার রাষ্ট্রটির সরকার পরিবর্তনের পর অ্যাসাঞ্জের সঙ্গে আচরণের পরিবর্তন ঘটে। গত মার্চের পর থেকে তাকে বাইরে বের করে দিতে বিভিন্ন চেষ্টা হিসেবে বন্ধ করে দেওয়া হয় অ্যাসাঞ্জের ইন্টারনেট সংযোগ।



সাম্প্রতিক খবর

অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান ইউরোপীয় দেশগুলোর

photo আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য অংশগ্রহণকারীদের প্রতি বিশ্বাসযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় দেশগুলো। নির্বাচনি প্রচারণা শুরুর প্রাক্কালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো এবং নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড এই আহ্বান জানিয়েছে। সোমবার ইউরোপীয় দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, নাগরিক অধিকার, মত

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment