আজ : ১২:৫৫, মে ২৪ , ২০১৮, ৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫
শিরোনাম :

ব্রিটিশ রাজপরিবার নিয়ে বাংলাদেশি নির্মাতার ছবির প্রিমিয়ার


আপডেট:০৬:১০, মে ১৬ , ২০১৮
photo

বিনোদন ডেস্ক: মীনহাজ হুদা। তরুণ পরিচালক হিসেবে যুক্তরাজ্যে নাম আছে তার। সেই নাম এবার আরও ছড়ালো। বাংলাদেশ বংশোদ্ভূত এই ব্রিটিশ পরিচালক নির্মাণ করলেন সে দেশের রাজপরিবার নিয়ে একটি ছবি। নাম ‘হ্যারি-মেগান: এ রয়াল রোমান্স’।

ব্রিটিশ রাজপরিবারের উত্তরাধিকারী প্রিন্স হ্যারি ও তার হবু বউ অভিনেত্রী মেগান মার্কেলকে নিয়ে নির্মিত হয়েছে ছবিটি। ১৩ মে এর প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ১৯ মে রাজপরিবারের এই উত্তরাধিকারীর বিয়ের আগাম উপহার হিসেবেই ছবিটিকে ঘিরে এই আয়োজন বলে জানা গেছে।

ছবিটিতে মেগান হিসেবে পারিসা হেনলি, প্রিন্স হ্যারির চরিত্রটি করেছেন মাররাই ফ্রেজার। ইতোমধ্যে ছবিটি নিয়ে পশ্চিমা সংবাদমাধ্যম রিভিউ প্রকাশ করেছে। যেখানে পরিচালকের প্রশংসাও করা হয়েছে। বিশেষ করে অন্য সংস্কৃতির মেয়ে মেগানের নানা বাধাবিপত্তি উতরে এগিয়ে চলার বিষয়টি উঠে এসেছে এই ছবিতে।

দ্য গার্ডিয়ানের মতে, ‘জনগণ ও মিডিয়ার প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে অভিজাত পরিবারের এ জুটি শুরু থেকেই খুব সচেতন ছিলেন। এমনকি তারা তাদের প্রথম চুম্বনের অনেক আগেই বিষয়টি নিয়ে বেশ সাবধান ছিলেন। তারা জানতেন, তাদের সম্পর্ক জানাজানি হলে প্রতিক্রিয়া কেমন ধারালো হতে পারে। পুরো বিষয়টি চলচ্চিত্রেও উঠে এসেছে।খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান লাইফটাইম ফিল্ম ইউটিউবে ছবিটির ট্রেলার প্রকাশ হয়েছে। আর ১৩ তারিখ রাতে হয়েছে এই ছবির উদ্বোধনী শো। ছবিটি নির্মাণ করেছে লাইফটাইম নেটওয়ার্ক।

এর আগে প্রিন্স হ্যারির বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়াম ও তার স্ত্রী কেটের বিয়ে উপলক্ষে এমন একটি চলচ্চিত্র তৈরি করা হয়েছিল। ২০১১ সালের এপ্রিলে তাদের বিয়ের কয়েক দিন আগে সেটি মুক্তি দেওয়া হয়।মেগান চরিত্রে পারিসা হেনলি (ডানে) ও প্রিন্স হ্যারির চরিত্রে মাররাই ফ্রেজার (মাঝে)জানা যায়, নতুন এ চলচ্চিত্রটির প্রচারস্বত্ব নিয়েছে অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক জনপ্রিয় চ্যানেল নেটওয়ার্ক টেন।

অন্যদিকে পরিচালক মীনহাজ ইতোমধ্যে নিজের দক্ষতা পশ্চিমা মাধ্যমে জাহির করতে পেরেছেন। তার নির্মাণের শুরুটা ১৯৯৩ সালে। তখন তিনি ‘হিপনোসিস’ নামের টিভি সিরিজ নির্মাণ করেন। এরপর নিয়মিত কাজ করে চলেছেন ব্রিটিশ টিভি চ্যানেল ও ছবি নির্মাণে।এ নির্মাতা বেশি সমাদৃত ‘কিডাল্টহুড’ ও ‘করোন্যাশন স্ট্রিট’ ছবি দুটির জন্য। মীনহাজ বর্তমানে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়াতে বসবাস করছেন।



সাম্প্রতিক খবর

১০ বছর ধরে অবৈধ বসবাকারীদের সাধারণ ক্ষমার জন্য অনলাইন স্বাক্ষর অভিযান

বিশেষ প্রতিনিধি: ব্রিটেনে অবৈধভাবে বসবাসকারি ইমিগ্রান্ডদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার দাবীটি ক্রমাগত জোরদার হয়ে ওঠেছে। ইতোমধ্যে নব নিযুক্ত হোম সেক্রেটারি ইমিগ্রান্ডদের স্বার্থ বিরোধী দুটি ধারা বাতিল ঘোষণা করেছেন। ব্রিটিশ ফরেন সেক্রেটারি ও লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসন বরাবরই ইল্লিগ্যাল ইমিগ্রান্টদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষনার পক্ষে মতামত ব্যক্ত করে আসছেন। সম্প্রতি স্টিভ পার্কার

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment