আজ : ১২:৫১, জুন ২০ , ২০১৯, ৫ আষাঢ়, ১৪২৬
শিরোনাম :

রাশিদা তালিবের জয়ে নতুন প্রজন্মের অনুপ্রাণিত হওয়ার আশাবাদ


আপডেট:০৬:২২, অগাস্ট ১০ , ২০১৮
photo

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দুই বছর আগে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী থাকা অবস্থায় ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেট্রয়েট শহরের একটি সভায় ভাষণ দিতে গিয়েছিলেন। শ্রোতাদের মধ্যে ছিলেন ১২ জন নারী। তারা প্রত্যেকে কিছুক্ষণ পরপর দাঁড়িয়ে কর্মক্ষেত্রে নারীর বিরুদ্ধে হওয়া যৌন সহিংসতার বিষয়ে ট্রাম্পের অবস্থান জানতে চাইছিলেন। ট্রাম্প সমর্থকদের দুয়োধ্বনির মধ্য দিয়ে এক এক করে তাদের সবাইকেই সভাস্থল থেকে বের করে দেয় নিরাপত্তা কর্মীরা।

ওই নারীদের একজন ছিলেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আইনজীবী ও সাবেক প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য রাশিদা তালিব। ওই ঘটনার ঠিক দুই বছর পর গত বুধবার তালিব ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়ন নিশ্চিত করে ইতিহাস গড়েছেন। তিনি প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে কংগ্রেসে স্থান করে নিতে যাচ্ছেন।

রাশিদা পাঁচ জন প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে মিশিগানের ১৩তম কংগ্রেশনাল জেলার মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন। নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে ওই আসন থেকে কোনও রিপাবলিকান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না। একক প্রার্থী হিসেবে তিনিই নির্বাচিত হবেন।

আরব আমেরিকান মুসলমানদের মধ্যে থেকে প্রথম কংগ্রেস সদস্য হতে যাওয়া রাশিদা যে আসনের প্রার্থী সে আসনে আরব বংশোদ্ভূতদের সংখ্যা খুব কম। ডেট্রয়েট ফ্রি প্রেসের সাংবাদিক নিরাজ ওয়ারিকো উল্লেখ করেছেন, ওই আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ কৃষ্ণাঙ্গ। সেখানকার এক তৃতীয়াংশ মানুষ শ্বেতাঙ্গ। ডিয়ারবর্ন ও হ্যামট্র্যাকের তুলনায় আরব বা মুসলমানের সংখ্যা আসনটিতে খুবই কম।

ফলাফল ঘোষণার কয়েক মিনিট পরে ডেট্রয়েটে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ানো হয়েছে। ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে তার পূর্বপুরুষের আদি গ্রামেও উৎসব শুরু হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। অল্প সময়ের মধ্যেই রাশিদা তালিব টুইটারে বহুল আলোচিত বিষয়ে পরিণত হন। তাকে নিয়ে তৈরি হতে থাকে জাতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর শিরোনাম।

সমর্থকদের উদ্দেশে রাশিদা তালিব বলেছেন, ‘আমি আপনাদের অবস্থার উন্নতির জন্য সব দিক থেকে কাজ করব। শুধু সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে নয়, সকল নিপীড়ন ও বর্ণবাদী কাঠামোর বিরুদ্ধে আমি আপনাদের পক্ষে লড়াই করব। কারণ আজকের যে পরিস্থিতি তার চেয়ে আরও ভালো পরিবেশ পাওনা আপনাদের।’ ট্রাম্পকে গুন্ডা আখ্যা দিয়ে তালিব বলেছেন, ‘তিনি আমার মুখোমুখি হতে প্রস্তুত কি না আমি জানি না।’

ট্রাম্পের মুসলমানবিরোধী প্রচারণা এবং নারীর বিষয়ে করা তার মন্তব্য নারীদের, বিশেষ করে মুসলমান নারীদের মধ্যে উচ্চপদে আসীন হওয়ার তাড়না তৈরি করেছে। ১৪ ভাই বোনের মধ্যে সবার বড় রাশিদা তালিব বলেছেন, ‘ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হওয়াটা যুক্তরাষ্ট্রের বহু নারীর জন্য একটি খারাপ বিষয় ছিল। শুধু মুসলমান নারী নন, সকল ক্ষেত্রের নারীরাই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে একমত।’

সামনে গভর্নর পদে ১১ জন এবং হাউজ অব রিপ্রেজেন্টিটিভের সদস্য হওয়ার জন্য অন্তত ১৮৫ জন নারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এ বছর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মুসলমান নারীদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান নীনা আহমদ ও আফগান বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাদিয়া হাশিমির মতো নারীরা। তারা হেরে গেলেও উদাহরণ তৈরি করে গেছেন।

সংশ্লিষ্টরা বিশ্বাস করেন, রাশিদা তালিবের বিজয় নতুন প্রজন্মের মুসলমানদের, বিশেষ করে মুসলমান নারীদের পরিবর্তন সূচিত করার বিষয়ে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে।



সাম্প্রতিক খবর

জাঁকজমক অনুষ্টানে সম্পন্ন হল

photo লন্ডনবিডিনিউজ২৪ঃ বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে বৃটেনের শীর্ষ ব্যাবসায়ী, পেশাজীবী,বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সরব উপস্থিতিতে গত ১৮ জুন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক জাঁকজমক ভাবে অনুষ্টিত হল সংগঠনের ঈদ প্রীতি সমাবেশ। এসেক্সের ‘ওয়েলথাম অ্যাবি’র ঐতিহ্যবাহী ম্যারিয়েট হোটেলের হল রুমটি প্রবাসী সিলেটবাসীর মিলনমেলায় পরিনত হয়েছিলো । বিশিষ্ট কমিউনিটি

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment