আজ : ১২:৫১, অক্টোবর ১৬ , ২০১৮, ৩০ আশ্বিন, ১৪২৫
শিরোনাম :

রোহিঙ্গা সংকটে সন্ত্রাসী নিয়োগের সুযোগ সৃষ্টির আশঙ্কা মার্কিন শীর্ষ গোয়েন্দার


আপডেট:০৩:৫৬, ফেব্রুয়ারি ১৪ , ২০১৮
photo

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চলমান রোহিঙ্গা সংকট এই অঞ্চলের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোতে নিয়োগের সুযোগ বাড়িয়ে দিতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্টিলিজেন্সের পরিচালক ড্যান কোটস। এছাড়া এই সংকট বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। মার্কিন সিনেট কমিটিতে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, ‘ওই অঞ্চলে অস্থিরতার কারনে দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়াতে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সদস্য নিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।’

২৫ আগস্ট রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ছয় লাখেরও বেশি মানুষ।বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এ ঘটনায় খুঁজে পেয়েছে মানবতাবিরোধী অপরাধের আলামত। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন এই ঘটনাকে জাতিগত নিধনযজ্ঞের ‘পাঠ্যপুস্তকীয় উদাহরণ’ আখ্যা দিয়েছে। রাখাইনের সহিংসতাকে জাতিগত নিধন আখ্যা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ। তবে এইসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ‘বৈশ্বিক হুমকি পর্যালোচনা’ বিষয়ক শুনানিতে ড্যান কোটস বলেন, রাখাইনে আরও সহিংসতার কারণে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া জটিল হয়ে উঠবে।’ কোটস বলেন, ২০১৮ সালে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশে মানবাধিকার হুমকির মুখে থাকবে। অনেকগুলো দেশের স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব ও দুর্নীতি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

চীনা অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপে এই অঞ্চলের দেশগুলোর পররাষ্ট্র নীতি বাস্তবায়ন কঠিন হবে বলে দাবি করেন তিনি।কোটস বলেন, ‘ছয় লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে আসার ঘটনায় মিয়ানমারে গণতন্ত্রই হুমকির মুখে পড়েছে। একইসঙ্গে বেইজিং এই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করার সুযোগ পেয়েছে।’



সাম্প্রতিক খবর

প্রত্যেকটা উৎসবে সবাই ভাই বোনের মত কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা উদযাপন করে যাই: প্রধানমন্ত্রী

photo ঢাকা সংবাদদাতা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের জমি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্থ করে বলেছেন, সরকার ইতোমধ্যেই এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ‘এই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে জমি নিয়ে একটা সমস্যা ছিল। ইতোমধ্যেই সেই সমস্যাটা আমরা সমাধান করে ফেলেছি। বাকী কাজটা আপনাদের ওপরই নির্ভরশীল।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment