আজ : ০৩:৫২, ফেব্রুয়ারি ১৭ , ২০১৯, ৫ ফাল্গুন, ১৪২৫
শিরোনাম :

কাদিয়ানী সম্মেলন বন্ধ না হলে আন্দোলন: আল্লামা শফী


আপডেট:০৩:০০, ফেব্রুয়ারি ১২ , ২০১৯
photo

ঢাকা প্রতিবেদক: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেছেন, পঞ্চগড়ে কাদিয়ানীদের তিন দিনব্যাপী সম্মেলন অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। তা না হলে আমি নিজে আন্দোলনে শরিক হব।

মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় হেফাজতের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ হুশিয়ারি দিয়ে কাদিয়ানীদের সম্মেলন বন্ধ করে দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজত আমির।

বিবৃতিতে হেফাজত আমির বলেন, কাদিয়ানীদের এই সম্মেলন অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। এ ব্যাপারে যারা আন্দোলন করছে তাদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করছি। কাদিয়ানীদের এ সম্মেলন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত সর্বাত্মক আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্যে সর্বস্তরের মুসলমানদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। যদি এ সম্মেলন বন্ধ করা না হয় প্রয়োজনে আমি পঞ্চগড়ে গিয়ে আন্দোলনে শরিক হব।

কাদিয়ানীরা পাঞ্জাবের মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানীকে নতুন নবী মানে এমনটা দাবি করে বিবৃতিতে আল্লামা শফী বলেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (স.)-কে সর্বশেষ নবী মানে না। তাই তারা নিশ্চিতভাবে কাফের। অথচ তারা নিজেদেরকে আহমদিয়া মুসলিম পরিচয় দিয়ে সাধারণ মুসলমানদের সঙ্গে প্রতারণা করে। এরই অংশ হলো- পঞ্চগড়ে তিন দিনব্যাপী (২২, ২৩ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি) কাদিয়ানী সম্মেলন।

তিনি আরও বলেন, খতমে নবুওয়াতের বরকতময় আন্দোলন যারা করছেন, তারাসহ সব দ্বীনি আন্দোলনের নেতাকর্মীদের কালবিলম্ব না করে পঞ্চগড় গিয়ে প্রিয় নবীজির খতমে নবুওয়াতের চিরশত্রু কাফের কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছি।

এদিকে কাদিয়ানীদের তিন দিনব্যাপী সম্মেলন অবিলম্বে বন্ধের দাবিতে বুধবার সকাল ১১টায় হাটহাজারী মাদ্রাসায় সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেয়া হয়েছে বলে জানান হেফাজতের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী।



সাম্প্রতিক খবর

আবুধাবি প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

photo আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবু ধাবিতে আন্তজার্তিক প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম এর আমন্ত্রণে পাঁচদিন ব্যাপী এ প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে অংশ নেন তিনি। রোববার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে জার্মানি থেকে

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment