আজ : ০১:২০, মে ২৪ , ২০১৮, ৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫
শিরোনাম :

কত টাকা পর্যন্ত দুর্নীতিকে দুর্নীতি বলবে না বিএনপি, মামলা দিয়েছে তার প্রিয় ব্যক্তিরা: প্রধানমন্ত্রী


আপডেট:০৩:৫০, ফেব্রুয়ারি ১৪ , ২০১৮
photo

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িতদের বিচার হতেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ইতালির রোমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর সফরকালীন আবাসস্থল পার্ক দ্যা প্রিনসিপি গ্র্যান্ড হোটেলে এ সংবর্ধনা আয়োজন করে ইতালি আওয়ামী লীগ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দুর্নীতি ও সন্ত্রাস যারা করবে, জঙ্গিবাদের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিচার হতেই হবে। কারণ বাংলাদেশটাকে আমরা একটা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আনতে চাই। বাংলাদেশের উন্নয়ন চাই।

বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া, তার ছেলে তারেক জিয়া ও কোকো রহমানসহ দলটির নেতাদের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার আমলে বাংলাদেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। খালেদা জিয়া একজন প্রধানমন্ত্রী হয়েও কালো টাকা সাদা করেছেন। এ টাকা কোথা থেকে এলো। বিএনপি ক্ষমতায় থেকে দেশকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করে বলেও মন্তব্য করে শেখ হাসিনা।

বিগত সময়ে বিএনপির নির্বাচন ঠেকানো ও সরকারে বিরোধী আন্দোলনের সহিংসতায় তিনি হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।বিএনপি ক্ষমতায় থেকে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হত্যা, নির্যাতন, জঙ্গিবাদ সৃষ্টি, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে হত্যা চেষ্টা করেছে বলেও অভিযোগ করেন শেখ হাসিনা।

কত টাকা পর্যন্ত দুর্নীতিকে দুর্নীতি বলবে না বিএনপি
বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া এতিমের টাকা নিজের কাছে কুক্ষিগত করতে গিয়ে ধরা খেয়েছেন বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, টাকাগুলো বিদেশ থেকে এসেছিলো এতিমদের জন্য, সে টাকা এতিমদের কাছে যায়নি, তাদের ব্যক্তিগত তহবিলে চলে গিয়েছিলো। টাকাগুলো কোনো এতিমের কাছে গেছে। হ্যাঁ যদি খালেদা জিয়া বলতেন আমার দুই ছেলে এতিম তার জন্য রেখেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার প্রশ্ন আজকে যারা বিএনপি দরদি, আমাদের আঁতেলরাও আছে তারা বলে দুই কোটি টাকার জন্য কে এত মামলা। তাহলে দুর্নীতির করার জন্য একটা সিলিং থাকবে যে এত কোটি পর্যন্ত দুর্নীতি করা জায়েজ। তারা কি সেটা বলতে চায়। শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি তাহলে একটা দাবি করুক যে এত কোটি পর্যন্ত তারা দুর্নীতি করতে পারবে। দেখি সেটা দিয়ে একটা রিট করুক।

বিশেষ কেউ দুর্নীতি করলে তা কি অপরাধ নয়? প্রশ্ন করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী নিজের সর্ম্পকে বলেন, দুর্নীতি করতে আসিনি, বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য গড়তে এসেছি। নিজেদের ভাগ্য না।

মামলা দিয়েছে তার প্রিয় ব্যক্তিরা
সাজা পাওয়া দুর্নীতি মামলাটির কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আজকে যে মামলায় খালেদা জিয়ার শাস্তি হয়েছে সে মামলা কে দিয়েছে? খালেদা জিয়ার প্রিয় ব্যক্তিরা।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর নয়জন জেনারেলকে ডিঙিয়ে জেনারেল মঈনকে সেনাপ্রধান করেছিলো। বিশ্বব্যাংকে চাকরি করতেন ফখরুদ্দিন সাহেব তাকে নিয়ে এসে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর করেছিলো। তাদের দলীয় লোক ইয়াজ উদ্দিন সাহেবকে বানালো রাষ্ট্রপতি। ফখরুদ্দিন, মঈন উদ্দিন, ইয়াজ উদ্দিন তারাইতো তার বিরুদ্ধে মামলা দিলো। মামলাতো আওয়ামী লীগ দেয়নি।

জিয়া মানুষের ভোটের অধিকার চুরি করেছিলো
জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে মানুষের ভোটের অধিকার চুরি করেছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মানুষ তার ভোটের অধিকার হারিয়েছিলো।

জিয়াউর রহমানের শাসন আমলে দুর্নীতি, ধনিক শ্রেণি সৃষ্টির পাশাপাশি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন অগ্রযাত্রা বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। উন্নয়ন হয়েছে কাদের? এই অবৈধ ক্ষমতা দখলে রাখার জন্য, ক্ষমতাকে নিষ্কণ্টক করার জন্য একাধারে যেমন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ধরে নিয়ে যাওয়া, অত্যাচার, নির্যাতন, কারাগারে নিক্ষেপ গুম করা হয়।

যারা বলেন জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র দিয়েছে তাদের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, জিয়ার যারা অনুসারী তারা অনেক সময় বলে জিয়া বহুদলীয় গণতন্ত্র দিয়েছে। জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে যুদ্ধাপরাধী, স্বাধীনতা বিরোধীদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয়, রাজনীতিতে তাদের প্রতিষ্ঠিত করে। যাদের রাজনীতি করা নিষিদ্ধ ছিলো। অনুষ্ঠানে অর্থনমন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ইতালিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতসহ ইতালি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।



সাম্প্রতিক খবর

১০ বছর ধরে অবৈধ বসবাকারীদের সাধারণ ক্ষমার জন্য অনলাইন স্বাক্ষর অভিযান

বিশেষ প্রতিনিধি: ব্রিটেনে অবৈধভাবে বসবাসকারি ইমিগ্রান্ডদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার দাবীটি ক্রমাগত জোরদার হয়ে ওঠেছে। ইতোমধ্যে নব নিযুক্ত হোম সেক্রেটারি ইমিগ্রান্ডদের স্বার্থ বিরোধী দুটি ধারা বাতিল ঘোষণা করেছেন। ব্রিটিশ ফরেন সেক্রেটারি ও লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসন বরাবরই ইল্লিগ্যাল ইমিগ্রান্টদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষনার পক্ষে মতামত ব্যক্ত করে আসছেন। সম্প্রতি স্টিভ পার্কার

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment