আজ : ০৩:৪২, অক্টোবর ২৩ , ২০১৮, ৭ কার্তিক, ১৪২৫
শিরোনাম :

দীর্ঘ এক যুগ পর পেপসিকোর সিইও পদ ছাড়ছেন ইন্দ্রা নুই


আপডেট:০৬:২০, অগাস্ট ৭ , ২০১৮
photo

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দীর্ঘ এক যুগ পেপসিকোর প্রধান নির্বাহী পদে দায়িত্ব পালনের পর সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইন্দ্রা নুই।ভারতের একটি তামিল পরিবারে জন্ম নেওয়া নুই বিশ্বের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সিইওদের একজন, যার নাম সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ফোর্বস ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালী নারীর তালিকায় নিয়মিতভাবে এসেছে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইন্দ্রা নুই ২০০৬ সালে প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব নেওয়ার পর পেপসিকোর শেয়ারের দাম বেড়েছে ৭৮ শতাংশ।৬২ বছর বয়সী এই নারী তার কর্মজীবনে পেপসিকোতেই কাটিয়েছেন ২৪ বছর। সিইও পদে তার উত্তরসূরি হচ্ছেন কোম্পানির বর্তমান প্রেসিডেন্ট রামোন লেগুয়ের্তা।

সিইও পদ থেকে সরলেও ২০১৯ সাল পর্যন্ত পেপসিকো বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকছেন নুই। তার কাছ থেকে আগামী ৩ অক্টোবর দায়িত্ব বুঝে নেবেন নতুন সিইও। দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে বেশ কয়েকটি টুইটে পেপসিকো নিয়ে নিজের আবেগ প্রকাশ করেছেন ইন্দ্রা নুই। বলেছেন, ভারতে বেড়ে ওঠা একজন নারী হিসেবে তিনি কখনও ভাবেননি যে একদিন পেপসিকোর মত একটি কোম্পানির নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

রসায়নে স্নাতক ইন্দ্রা কৃষ্ণমূর্তি নুই কলকাতার ইন্ডিয়ান ইন্স্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট থেকে এমবিএ করার পর ইয়েল স্কুল অফ ম্যানেজমেন্টে পড়ালেখা করেন। পেপসিকোর চিফ ফিনানশিয়াল অফিসার হিসেবে তার সময়ে কোম্পানির লাভের পরিমাণ দ্রুত বাড়তে থাকে। আর তিনি সিইও থাকাকালে কোম্পানির আয় বেড়েছে ৮০ শতাংশের বেশি। পাশাপাশি বহু নতুন পণ্য বাজারে এনে জনপ্রিয় করতে পেরেছে পেপসিকো।

তার উত্তরসূরি রামোন লেগুয়ের্তা পেপসিকোতে কাজ করছেন ২২ বছর ধরে। কোম্পানির প্রেসিডেন্ট হিসেবে গ্লোবাল অপারেশনস, কর্পোরেট স্ট্র্যাটেজি, পাবলিক পলিসি ও গভার্নর্মেন্ট অ্যাফেয়ার্স সামলাতে হয়েছে তাকে।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইন্দ্রা নুইর সাফল্য ভারতের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। চেন্নাইয়ে বড় হওয়া একটি মেয়ের বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কোম্পানির শীর্ষ পদে পৌঁছে যাওয়া ছিল তাদের জন্য দারুণ এক অনুপ্রেরণা।

বিবিসি লিখেছে, নুই যখন সিইও পদে আসেন, তখন আরও কয়েকজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত পুরুষ বিভিন্ন বড় কোম্পানির শীর্ষ পদে ছিলেন। কিন্তু ভারতের একটি রক্ষণশীল পরিবার থেকে উঠে এসে ওই পর্যায়ে পৌঁছাতে নুইকে যে সংগ্রাম করতে হয়েছে, তা তাকে নারীর ক্ষমতায়নের আইকনে পরিণত করে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মাইক্রোসফটের সত্য নাদাল আর গুগলের সুন্দর পিচাইয়ের মত বেশ কয়েকজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত কর্পোরেট দুনিয়ায় নেতৃত্বের পর্যায়ে এসেছেন। এর প্রতিটি ঘটনাই সংবাদপত্রে বড় শিরোনাম হয়েছে। কিন্তু ভারতীয় নারীদের কাছে এবং পুরো বিশ্বেই নুই একটি অনন্য অবস্থানে থেকে যাবেন।



সাম্প্রতিক খবর

ব্রেক্সিট চুক্তির ৯৫ শতাংশই প্রস্তুত: থেরেসা মে

photo আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে মনে করেন, ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় চুক্তির ৯৫ শতাংশ শর্তই চূড়ান্ত করা গেছে। আর চুক্তির চূড়ান্ত হওয়া না হওয়াটা তার নিজের ভবিষ্যৎ নয় বরং যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত। এসব কথা তিনি সোমবার হাউজ অব কমন্সে দেওয়া ভাষণে উল্লেখ করবেন। হাউজ অব কমন্সের জন্য নির্ধারিত ভাষণের বক্তব্য আগাম প্রকাশের বিষয়টিকে ‘বিরল’

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment