আজ : ০৬:৩৮, মে ২০ , ২০১৯, ৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬
শিরোনাম :

অন্য জঙ্গিদের হুমকিতে শিবির ছেড়েছে আইএসের শামীমা


আপডেট:০৬:৪৬, মার্চ ৩ , ২০১৯
photo

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাজ্য থেকে ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিগোষ্ঠীতে যোগ দেওয়া শামীমা বেগম এখন আর সিরিয়ার শরণার্থী শিবিরটিতে নেই। শিবিরের অপরাপর জঙ্গি ও তাদের স্ত্রীদের হুমকিতেই এই অবস্থা। ‘নিরাপত্তাজনিত’ কারণে তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাসনিম আকুঞ্জি শামীমার যুক্তরাজ্যে বসবাসরত পরিবারের পক্ষ থেকে তার দেশে ফেরার বিষয়ে আইনি সহযোগিতা দিচ্ছেন। এই আইনজীবী আরও জানিয়েছেন, শামীমার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে তারা কিছুই জানে না। এদিকে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য শামীমার স্বাক্ষর প্রয়োজন আদালতের বিভিন্ন ফরমে।

লন্ডনের বেথনেল গ্রিন অ্যাকাডেমি স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল শামীমা। ২০১৫ সালে আমিরা আবাসে ও খাদিজা সুলতানা নামের আরও দুই কিশোরীকে সঙ্গে নিয়ে আইএসে যোগ দিয়েছিল সে। পরিবারকে একদিনের জন্য বাইরে যাওয়া কথা বলে প্রথমে তুরস্ক যায় তারা। সেখান থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে সিরিয়ায় প্রবেশ করে ওই তিন কিশোরী। জিহাদিদের বিয়ে করে সন্তানদের যুদ্ধে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের।

শামীমা তার সন্তানসহ সিরিয়ার আল হোল শরণার্থী শিবিরে ছিল। কিন্তু শিবিরে বসবাসরত অপরাপর জঙ্গি ও তাদের স্ত্রীদের হুমকিতে তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নাজুক হয়ে ওঠে। তার আইএসে যোগ দেওয়ার বর্ণনা প্রকাশ এবং যুক্তরাজ্যের ফিরতে চাওয়ার আকুতি শিবিরে বসবাসরত অন্যান্যদের ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। তারা শামীমাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। এর প্রেক্ষিতে তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে তাসনিম আকুঞ্জি জানিয়েছেন, শামীমার নাগরিকত্ব বাতিলের সরকারি সিদ্ধান্তকে আদালতে চ্যালেঞ্জ করার জন্য যে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা দরকার তার জন্য ফরমে শামীমার স্বাক্ষর লাগবে। তিনি সিরিয়াতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। কিন্তু শামীমা এখন ঠিক কোথায় রয়েছে তা তিনি নিজেও জানেন না।

যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ দেশটির পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সামনে বলেছেন, শামীমাকে না হলেও তার সন্তান জেরাহকে যুক্তরাজ্যে আনা যেতে পারে। শামীমার নাগরিকত্ব বাতিল হলেও আইন অনুযায়ী তার সন্তান জেরাহ যুক্তরাজ্যের নাগরিক। শামীমাকে যুক্তরাজ্যের দূতাবাস আছে এমন স্থানে পৌঁছানো গেলে শামীমার অনুমতি সাপেক্ষে তার সন্তানকে যুক্তরাজ্যে ফিরতে দেওয়ার বিষয়টি ভেবে দেখা যেতে পারে। শামীমার সবচেয়ে নিকটবর্তী ব্রিটিশ দূতাবাস তুরস্কে।

তবে সাজিদ জাভিদ শামীমার নাগরিকত্ব বাতিলের বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, তিনি ‘শামীমার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পেলেও পেতে পারেন’ এমন কোনও তথ্যের ভিত্তিতে তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিল করেননি। বরং তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ছাড়া অন্য কোনও দেশের নাগরিকত্ব আছে এটা নিশ্চিত হয়েই তিনি ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

অথচ যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব বাতিল হয়ে যাওয়ার সংবাদ জানতে পেরে শামীমা বলেছিল, ‘আমার মাত্র একটিই নাগরিকত্ব আছে। সেটাও যদি কেড়ে নেওয়া হয়, তাহলে আমার আর কিছু থাকবে না।’ শামীমা অন্য দেশের নাগরিকত্ব পাওয়া না পাওয়ার বিষয়ে বরং নেদারল্যান্ডের নাম নিয়েছে। কারণ যে আইএস জঙ্গিকে সে বিয়ে করেছিল সে নেদারল্যান্ডের নাগরিক।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, শামীমা বাংলাদেশের নাগরিক নয়। সে কোনওদিনও বাংলাদেশে আসেনি বা বাংলাদেশের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেনি।



সাম্প্রতিক খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধাতঙ্ক, মক্কায় জরুরি বৈঠক ডেকেছেন বাদশাহ

photo আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানের যুদ্ধ লেগে যাওয়ার সম্ভাবনায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এজন্য সৌদি বাদশাহ সালমান ৩০শে মে মক্কায় এক জরুরি বৈঠকে বসতে আরব লীগ এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর জোট জিসিসি সদস্যদের আমন্ত্রণ পাঠিয়েছেন। খবর বিবিসি বাংলার। সৌদি বার্তা সংস্থা এসপিএ সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, সংযুক্ত

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment