আজ : ০৬:০৮, নভেম্বর ২২ , ২০১৯, ৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬
শিরোনাম :

সমাজচিন্তার বাতিঘর


আপডেট:০৯:৪৯, জুলাই ৩১ , ২০১৭
photo

ড. জিয়া রহমান ও মো. নাজমুল আরেফিনআজ ১ আগস্ট বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানচর্চার অগ্রদূত প্রফেসর ড. এ. কে. নাজমুল করিম স্যারের ৯৫তম জন্মবার্ষিকী। ১৯২২ সালের আজকের এই দিনে, এই মাটি জন্ম দিয়েছিল তার সেই সন্তানকে, যে তার সমাজ-সংস্কৃতি-মানুষকে নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে চিন্তা করার নিরলস প্রয়াস পেয়েছিলেন এবং সেই চিন্তাকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে খ্যাতির সঙ্গে পৌঁছে দিতে সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মজীবনের শুরুটা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে হলেও, ১৯৫৭ সালের ১ জুলাই প্রতিষ্ঠিত নতুন বিভাগ সমাজবিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে ১৯৫৮ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি শুধু শিক্ষক হতে চাননি। তিনি এমন একজন সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন, যার চিন্তা ও চেতনা শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি থেকে শুরু করে উপমহাদেশীয় সমাজের মাঝে ঘটে যাওয়া প্রায় সব কর্মকাণ্ড সম্পর্কেই ছিল সদাজাগ্রত।

এটি বলা অত্যুক্তি হবে না, একজন বুদ্ধিজীবী বাসমাজবিজ্ঞানীর সবচেয়ে বড় দায় সম্ভবত তার সময়কালকে যথার্থভাবে তুলে ধরতে পারা। আপাতদৃষ্টিতে কাজটি সহজ মনে হলেও এই কাজটি আমাদের দেশের হাতেগোনা কয়েকজন বুদ্ধিজীবী যথার্থ পদ্ধতি অনুসরণ করে যেতে পেরেছেন। নিজ সমাজের কৃষ্টি ঐতিহ্যের ওপর গভীর ধারণা ও স্বচ্ছ জ্ঞান না থাকলে তা কলমে তুলে আনা যায় না। প্রফেসর করিম তা পেরেছিলেন। সমাজবিজ্ঞানীরা তো চাইলেও সময়কালকে যেভাবে খুশি তুলে ধরতে পারেন না; যেমনটি পারা যায় সাহিত্যের পাতায়। এ জন্য তাদের কোনো তাত্তি্বক কাঠামোর মধ্যে থেকে বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয় অথবা গবেষণালব্ধ জ্ঞানের ওপর ভর করে নতুন তত্ত্ব প্রস্তাব করতে হয়। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমাজকে বৈজ্ঞানিকভাবে নাড়াচাড়া করার প্রয়াস অনেকেই হয়তো পেয়েছিলেন; কিন্তু আমাদের সমাজ কাঠামো অতি-স্বতন্ত্র হওয়ায় জুতসই পদ্ধতি অবলম্বন কিংবা আবিষ্কার করতে সফল হয়েছেন হাতেগোনা কয়েকজন। ড. করিম সম্ভবত উপমহাদেশের প্রথম সমাজবিজ্ঞানী, যিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমাজবিজ্ঞানচর্চা ঠিক কীভাবে হওয়া উচিত সে সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন; পরিপূর্ণ দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন (দেখুন: The Methodology for a Sociology of East Pakistan, 1960, Asiatic Society)। পূর্ব বাংলার মুসলিম সমাজকে বিশ্লেষণ করার জন্য যে আলাদা এবং নতুন একটা সমাজতত্ত্ব নির্মাণ করা জরুরি সর্বপ্রথম তিনিই তা উপলব্ধি করেন। গোটা বিশ্বজুড়েই মুসলিম সমাজের খুব সামান্য পরিমাণ সমাজবিজ্ঞান রচিত বা নির্মিত হয়েছে_ এই গুরুত্বপূর্ণ চিন্তা তিনি সেই ১৯৬০ সালে করে গেছেন, যা আজকের এই তথাকথিত উত্তরাধুনিককালেও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

তার মৌলিক চিন্তার অন্যতম আরেক দিক হলো, বাংলাদেশের সাহিত্যের যে সমাজবিজ্ঞান (Sociology of Literature) তার স্বরূপ আলোচনা করা। রবীন্দ্রনাথ, মধুসূদন, নবীন সেনের লেখা কবিতা তাকে আলোড়িত করত সবচেয়ে বেশি। বিভিন্ন লেখা, বক্তৃতা এবং ক্লাস লেকচারে এরা ছিলেন তার প্রিয় রেফারেন্স। তিনি তার সমাজচিন্তার উপকরণগুলো গ্রামগঞ্জের আনাচে-কানাচে ঘুরে খুঁজে বেড়িয়েছেন। এসব ভ্রমণে সঙ্গী ছিলেন তার বাল্যকালের বন্ধু সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। তার অনবদ্য সৃষ্টিকর্ম 'লালসালু'র কাহিনী জোগানদাতা কিন্তু প্রফেসর নাজমুল করিম! তিনি মাত্র ৩০ বছর বয়সে সমাজ-অর্থনীতির পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের রসবোধের ধরন ও প্রকৃতির কীভাবে বিবর্তন হয়, তা অত্যন্ত চমৎকারভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে বাংলায় পুঁজিবাদ প্রবেশের আগে কবি গান, যাত্রা গান সর্বস্তরে চালু ও গ্রহণীয় ছিল; কিন্তু পুঁজিবাদের বিকাশে সেসবের স্থান কীভাবে দখল করেছে সিনেমা ও থিয়েটার। আবার তিনিই প্রথম দেখিয়েছিলেন শুধু সামাজিক পরিবেশের ভিন্নতার কারণে রবীন্দ্রসঙ্গীত কিংবা আধুনিক গান মধ্যবিত্ত বাঙালিকে যতটা আনন্দ দিতে পারে, তা নিম্ন শ্রেণিকে দিতে পারে না_ যতই দুই শ্রেণি একই এলাকার এবং একই যুগের বাসিন্দা হোক না কেন।

ধর্মের সমাজবিজ্ঞানেও (Sociology of Religion) তার অবদান অত্যন্ত মূল্যবান, যা এখনকার সময়েও চিন্তার খোরাক জোগাতে বাধ্য। তার বহুল আলোচিত 'ভূগোল ও ভগবান' শীর্ষক প্রবন্ধে তিনি দেখিয়েছেন মানুষের ধর্মীয় বিচার এবং বিশ্বাস কীভাবে তার ভূপ্রকৃতি দ্বারা প্রভাবিত হয়। পৃথিবীর অনেক নামজাদা সমাজবিজ্ঞানীর মতো তিনিও প্রথম জীবনে মার্কসীয় চিন্তা দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। ধর্মীয় ভাবধারায় ছিলেন অনেকটা বস্তুবাদী। পরবর্তী জীবনে ভেবারিয়ান (Max Weber) চিন্তাধারায় প্রভাবিত হয়ে তিনি ধর্মকে একটি প্রভাবশালী সামাজিক শক্তি হিসেবে গণ্য করতেন।

সমাজবিজ্ঞানের আরেকটি প্রধান উপশাখা ক্রিমিনোলজি। ১৯৪৭ সালের পর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের অপরাধ চিত্রকে (Criminogenic Situation)) তুলে ধরতে গিয়েও তিনি তার চিন্তার বস্তুনিষ্ঠতার পরিচয় দিয়েছেন। দেশভাগের ফলে যে নতুন ধরনের সমাজ-রাজনৈতিক অপরাধের সূত্রপাত ঘটে তাকে তিনি 'border troubles বা 'সীমান্ত ফ্যাসাদ' নামে আখ্যায়িত করেন। তার গবেষণায় তিনি ডুর্খেইম এবং মার্কসের চিন্তাকে তৎকালীন পরিবর্তনীয় সমাজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখান যে, কীভাবে নগরায়ন এবং শিল্পায়ন একজন শ্রমিককে গ্রাম থেকে শহরে আসতে বাধ্য করে। এই যে কালচারাল সেপারেশন, সাংস্কৃতিক বিভাজন এর মনস্তাত্তি্বক ধাক্কা কীভাবে সে সময় শহুরে অপরাধকে একটা নতুন রূপ দিয়েছিল, তা তিনি অত্যন্ত প্রাঞ্জলভাবে ব্যাখ্যা করেছেন_ যার গ্রহণযোগ্যতা আমাদের বর্তমান নাগরিক ডিস্কোর্সে এতটুকু কমেনি। (Crime in East Pakistan Since 1947, 1960, Informational Review Criminal Policy, Ed.16)। তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, রাষ্ট্র যদি শুধু অর্থনৈতিক লক্ষ্যগুলোর পেছনে ধাবিত হয়ে পলিসি বানায় এবং তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সামাজিক উন্নয়নের পলিসি নির্মাণ বা বাস্তবায়ন না করে, তাহলে সমাজে অপরাধ প্রবৃত্তি বাড়বেই। আজকের সমাজের দিকে তাকালে আমরা খুব সহজেই দেখতে পাই, তিনি কতই না সঠিক ছিলেন! অসামঞ্জস্যমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়নের ফল কী তা আমাদের হাল আমলের অপরাধ সংঘটনের পরিসংখ্যান খুব সহজেই বলে দেয়।

বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের গোড়াপত্তনকারী হিসেবে তিনি তো অমর থাকবেনই। তবে এ দেশে নৃবিজ্ঞানভিত্তিক সামাজিক গবেষণার সূত্রপাতেও তিনি যে পাহাড় প্রমাণ অবদান রেখেছেন, তা কিন্তু অনেকেই এড়িয়ে যান বা সে ব্যাপারে অবহিত নন। বিশেষ করে আদিম সমাজ নিয়ে প্রফেসর করিমের যে চিন্তা এবং ভালোবাসা ছিল, তা পরবর্তী সময়ে তার বহু ছাত্রের মধ্যে প্রবাহিত হয়েছে। তিনি ক্লাসের বাইরেও ছিলেন একজন মহাত্মা শিক্ষক। প্রয়াত প্রফেসর কিবরাউল খালেক তার স্মৃতিকথায় লিখেছেন, ১৯৭৫ সালে মধুপুরগড়ে এক বিভাগীয় বনভোজনের রাতের খাবার টেবিলে প্রফেসর করিম বললেন, গারো বা অন্য যেসব উপজাতি বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় বসবাসরত, তাদের নিয়ে গবেষণা করা খুবই জরুরি ইন্টেলেকচুয়াল দায়িত্ব। বিভিন্ন কারণে এ ধরনের সমাজগুলো দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই এখনই গবেষণা না করা গেলে ভবিষ্যতে এই সংস্কৃতির অনেক কিছুই খুঁজে পাওয়া যাবে না। সমাজ পরিবর্তন নিয়ে তার একটা অন্যতম থিসিস ছিল, জটিল বা আধুনিক সমাজকে বুঝতে হলেও আমাদের উচিত সহজ-সরল সমাজের সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা করা। সমাজ পর্যবেক্ষণের এ এক অসামান্য গুরুত্বপূর্ণ এবং দিকনির্দেশকমূলক থিসিস।

অধ্যাপক করিমের ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত Changing Society in India and Pakistan তার সবচেয়ে মূল্যবান কৃতকর্ম হিসেবে দেশে-বিদেশে স্বীকৃত। উপমহাদেশের সামাজিক পরিবর্তনে এবং শ্রেণিবিভক্তি ওলটপালটে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন কী ভূমিকা রেখে গেছে, তার নির্মোহ বিশ্লেষণের জন্য এই গ্রন্থটি একাডেমিক প্রাঙ্গণে একটি দেশীয় ক্ল্যাসিক হয়ে থাকবে। এ দেশের 'এলিট সার্কুলেশনের' ধরনটিও তিনি পর্যবেক্ষণ করে তুলে আনতে পেরেছিলেন। তার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে_ The Dynamics of Bangladesh Society (1980), Political Ideas behind Pakistan (1955), Social Science in Bangladesh (1974) (১৯৭৪)সহ অন্যান্য।

ড. করিমের বিশেষ অনন্যতা ছিল খালি চোখে যেসব সামাজিক বিষয়কে নগণ্য কিংবা হাস্যকর বলে মনে হয়, সেসব বিষয়ের মধ্যে তিনি সমাজতত্ত্ব খুঁজেছেন। জিন-ভূত, বরকত-মাজার-পীর-ফকির, ধানক্ষেতের গান, নবাগত শিশুর নাম রাখা, মুসলমানি বা খতনা, মৃত্যু সংক্রান্ত আচার-অনুষ্ঠান ইত্যাদি ইন্টারেস্টিং বিষয়ে তিনি সমাজবিজ্ঞান দাঁড় করানোর প্রয়াস পেয়েছেন। মৃত্যুশয্যাতেও তিনি বাংলাদেশের সমাজ নিয়ে চিন্তা করা থামাননি। তারই ফসল তার সর্বশেষ মৌলিক নিবন্ধ 'Max Weber’s Theory of Pre- bendalization and Bengali Society যা তার দেহত্যাগের পর ১৯৮৩ সালে Bangladesh Journal of Sociology প্রকাশিত হয়।

পরিণত বয়সে রোগ-শোকে ভোগার সময় তিনি বস্তুবাদী চিন্তা থেকে সরে এসে ধর্মের দিকে ঝুঁকে ইসলামের শিক্ষার প্রতি প্রগাঢ় বিশ্বাস স্থাপন করেছিলেন এবং অন্যদেরও তিনি ধর্মীয় কাজ করতে উপদেশ দিতেন (দেখুন : সৈয়দ মকসুদ আলী, ১৯৮৪, এ. কে. নাজমুল করিম স্মারক গ্রন্থ, পৃ. ২৭৪-৭৫)। মানুষ তো মানুষই; দোষগুণে মানুষ। কোনো বুদ্ধিজীবীই তো সমালোচনার উরধে অবস্থান করেন না; তিনিও পারেননি তা। 'যে কেউ সমাজবিজ্ঞান পড়তে চাইলে তাকে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির সুযোগ করে দেওয়া; প্রগতিশীল আদর্শের উরধে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিম্নমানের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া ইত্যাদি ছিল তার জীবনের প্রধান সমালোচনা। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে একজন সমাজবিজ্ঞানী দেশের পক্ষে যে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারেন বা রাখা উচিত তিনি তা রাখেননি' বলেও একাডেমিক মহলে সমালোচনা আছে তার সম্পর্কে। তবে সমাজের বিধ্বস্ত চেহারা দেখে তিনি কখনও শঙ্কিত হননি। আশাবাদী এই সমাজবিজ্ঞানী ১৯৮২ সালের ১৯ নভেম্বর দেহত্যাগ করেন। পরদিন দৈনিক আজাদ তাদের সম্পাদকীয়তে তাকে স্মরণ করেছিল এভাবে_ 'প্রফেসর করিম তাহার চিন্তা ও কর্মের মধ্য দিয়া ইহাই প্রমাণ করিয়াছেন যে, প্রগতিশীলতার সহিত ঐতিহ্যের কোনো বিরোধ নাই। বরং ঐতিহ্যের সঞ্জীবনী ধারাই প্রগতির যাত্রাপথে নয়া গতির সঞ্চার করে।'

প্রফেসর এ. কে. নাজমুল করিম স্যার হলেন আমাদের বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানচর্চার ধ্রুপদী ঐতিহ্য। তাকে ঘিরেই, স্মরণ করেই আমাদের সমাজবিজ্ঞানচর্চা আরও উৎকর্ষতা পাবে, এগিয়ে যাবে, পুরো পৃথিবীর পথে যাত্রা করবে_ এই প্রত্যাশা আমরা করতেই পারি। যতদিন বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানচর্চা থাকবে, ততদিন এ নামটি বাতিঘর হিসেবে দেদীপ্যমান থাকবে।

লেখকদ্বয়: যথাক্রমে, অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, ক্রিমিনোলজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রভাষক, সমাজবিজ্ঞান (বিসিএস সাধারণ শিক্ষা) ও গবেষক

Posted in মতামত


সাম্প্রতিক খবর

সমরখন্দের সৌন্দর্যে বিমোহিত ব্রিটিশ বাংলাদেশী সাংবাদিকরা

photo তূর্কি মেয়ের একটি তিলের বিনিময়ে মহাকবি হাফিজ যে দুই নগরী দিতে চেয়েছিলেন, তার একটি সমরখন্দের সৌন্দর্য আর স্থাপত্যশিল্প দেখে বিমোহিত হয়েছেন ব্রিটিশ বাংলাদেশী সাংবাদিকরা। বর্তমানে উজবেকিস্থান সফররত ব্রিটিশ বাংলাদেশী সাংবাদিকরা বুধবার সারাদিন সমরখন্দ ও তার আশেপাশের এলাকা পরিদর্শন করেন। সাপ্তাহিক জনমত এর প্রধান সম্পাদক ও লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সৈয়দ

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment