আজ : ০৫:২০, নভেম্বর ১৯ , ২০১৮, ৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫
শিরোনাম :

মিয়ানমার থেকে জিম্বাবুয়ে : বিশ্বে বাড়ছে চীনের প্রভাব


আপডেট:১১:১৪, নভেম্বর ২৫ , ২০১৭
photo

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের মতো বিভিন্ন দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ করে প্রভাব বিস্তার করার বিশ্বনীতি চীন বরাবরই এড়িয়ে চলেছে। বরং মিয়ানমার কিংবা জিম্বাবুয়ের মতো অস্থিতিশীল দেশগুলোতে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে প্রভাব বিস্তার করছে দেশটি। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এর ফলে দিন দিন বিশ্বে চীনের ভূমিকা আরো জোরদার হচ্ছে।

চীনের পররাষ্ট্রনীতির মূল বিষয় ‘অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা’। ১৯৫৪ সালে এই নীতি গ্রহণ করেছে চীন, যখন অনেক বেশি দুর্বল ছিল দেশটি; কিন্তু এত বছর পর বিশ্বের সবচেয়ে বড় সেনাবাাহিনী ও দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়েও একই নীতিতে অটল রয়েছে চীন। এই ঘটনার সাথে সম্প্রতি একটি কূটনৈতিক পদক্ষেপের মিল রয়েছে। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুবিষয়ক সঙ্কট সমাধানে মধ্যস্থতা করতে এগিয়ে এসেছে চীন। মধ্যপ্রাচ্যেও চীন তার ভূমিকা জোরদার করেছে, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ ও ফিলিস্তিন-ইসরাইল দ্বন্দ্বে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিয়েছে। ক্ষমতার দ্বন্দ্বে ক্ষতবিক্ষত মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে চীনের অংশগ্রহণ সব সময়ই কম ছিল। এই অঞ্চলটির ওপর দেশটির রয়েছে তেলনির্ভরতা।

চীনের এসব কূটনৈতিক তৎপরতার বিষয়ে লন্ডনের কিংস কলেজের ল্যান চায়না ইনস্টিটিউটের পরিচালক কেরি ব্রাউন বলেন, ‘চীন বিশ্বে নিজেদের ভূমিকা আরো জোরদার করতে চাইছে, যদিও দেশটি কখনোই এর বাইরে ছিল না’। ‘ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড’ প্রকল্পের মাধ্যমেও বিশ্বব্যাপী চীনের প্রভাব বাড়ছে। এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশে রেল ও নৌ যোগাযোগের মাধ্যমে প্রাচীন বাণিজ্য রুট পুনরায় চালু করতে বেইজিং বিনিয়োগ করছে এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার।

চীনকে পরাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে একটি উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। গত মাসে দেশটির ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির কংগ্রেসে একই সাথে চীনের জন্য একটি শীর্ষস্থানীয় সেনাবাহিনী গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। তবে চীনা রাজনৈতিক বিশ্লেষক চেন দাওইন মনে করেন চীন যতই বিদেশে হস্তক্ষেপ না করার নীতি অনুসরণ করুক, বিদেশে তাদের জাতীয় স্বার্থ, তাদের প্রতিষ্ঠান বা প্রবাসী নাগরিকেরা হুমকির সম্মুখীন হলে দেশটি সেখানে সেনা মোতায়েন করবে সেটিই স্বাভাবিক। তার প্রমাণ পাওয়া যায় পূর্ব আফ্রিকার দেশ জিবুতিতে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন ও দক্ষিণ চীন সাগরের কৃত্রিম দ্বীপগুলোতে সামরিক স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে।

তিব্বতের স্বাধীনতার দাবি ত্যাগ করলেন দালাই লামা

এনডিটিভি

তিব্বতের নির্বাসিত আধ্যাত্মিক নেতা নোবেলজয়ী দালাই লামা তাদের দীর্ঘ দিনের স্বাধীনতার দাবি ত্যাগ করে চীনের অধীনে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। বৃহস্পতিবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমরা স্বাধীনতা চাইব না... আমরা চীনের সাথে থাকতে চাই। আমরা আরো উন্নয়ন চাই।’

চীন ও তিব্বতের মধ্যকার সম্পর্কের মূল্যায়ন করে দালাই লামা বলেন, দু’টি আলাদা দেশ হলেও চীন-তিব্বতের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে, যদিও মাঝে মধ্যে ‘লড়াই’ হয়। ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। চীন-তিব্বতের মধ্যকার বিভেদ দূর করে সামনে এগোনোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন দালাই লামা। তিনি বলেন, ‘অতীত অতীতই। আমরা ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে চাই।’

স্বাধীনতার দাবি ত্যাগ করলেও তিব্বত ও তিব্বতিদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার প্রতি জোর দিয়েছেন স্বেচ্ছায় ভারতের নির্বাসিত এই আধ্যাত্মিক নেতা। তিনি বলেন, ‘তিব্বতের আলাদা সংস্কৃতি আছে এবং পৃথক জীবনপ্রণালী আছে... চীনারা তাদের নিজের দেশকে ভালোবাসে এবং আমরাও আমাদের দেশকে ভালোবাসি।’

সুত্রঃ নয়া দিগন্ত।

Posted in মতামত


সাম্প্রতিক খবর

কারা সাক্ষাৎকার নেবেন সেটা বিএনপির নিজেদের ব্যাপার: মির্জা ফখরুল

photo ঢাকা সংবাদদাতা: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মনোনয়ন চূড়ান্ত করতে কারা দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেবেন সেটা বিএনপির নিজেদের ব্যাপার। এটা নিয়ে কথা বলার এখতিয়ার কারও নেই। তারেক রহমান সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন, এতে নির্বাচনি আচরণ ভঙ্গ হচ্ছে, ক্ষমতাসীনরা ইসিতে এমন অভিযোগ দিয়েছেন, বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘ইসি নিজেরাই আচরণ ভঙ্গ

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment